রিয়া মনি হত্যা মামলা: সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের আসামী করে গ্রেফতারের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে
- আপডেট টাইম : ০৪:১১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
- / ৮৪ বার

খুনি কসাই তুহিনের এবং যাকে ফাঁসিয়েছে মিজানুর রহমানের ছবি। সময়ের কন্ঠ
বাগেরহাটের শরণখোলায় রিয়া মনি হত্যা মামলায় সাংবাদিক মিজান ও ব্যবসায়ীকে তুহিনসহ কয়েকজনকে আসামী করে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আসামি তুহিন এর কাছ থেকে সাংবাদিক মিজান এর মোবাইল নাম্বার নিয়ে পুলিশ বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গ্রেফতার করেছে, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
তার নানী হালিমা বেগম জানান, রিয়া মনি ছোটবেলা থেকে তার কাছে থাকতেন। ১৯ মার্চ বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং আর ফেরেননি। তাছাড়াও রিয়া মনি অবাধে চলাফেরা করতো, বিশেষ করে মাদকসেবীদের সাথে রিয়া মনির চলাফেরা বেশি ছিল। মাঝে মাঝেই হঠাৎ বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে দুই তিন দিন পর ফিরে আসলেও হঠাৎ ২৪ মার্চ শরণখোলার রাজৈর গ্রামের একটি মসজিদের কবরস্থানের পাশেই রিয়া মনির লাশ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এরপরেই (২৬ মার্চ) মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে সাংবাদিক মিজানকে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় গ্রেফতার করে পুলিশ। যার কোন রেকর্ড যাচাই করা প্রয়োজন মনে করেনি পুলিশ। গণমাধ্যম কর্মী বলে মিজানের উপর পুলিশের আক্রোশ ও ব্যবসায়িদের কাছ থেকে ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এমন গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের।
এদিকে ভিকটিমের মোবাইল এখনও উদ্ধার করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন, দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক’কে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামিনুল হক আরও জানান, আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড শেষে আসল তথ্য পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিপ্লব কুমার সাংবাদিকদেরকে জানান, মোবাইল কললিস্টের সূত্র ধরেই আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রিয়া মনি মাদকাসক্ত ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদক সংক্রান্ত বিরোধের কারণেই এই হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
মোবাইল কললিস্ট ও কল রেকর্ড যাচাই না করেই, নাম্বার সংগ্রহ আক্রোশ জনিত কারণে সাংবাদিক মিজানকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হত্যাকারী/হত্যাকারীদের গ্রেফতার না করে আক্রোশ জনিত কারণে কুচক্রী মহলের সহযোগিতায় সাংবাদিক মিজানকে আসামী করে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, সাংবাদিক মিজান তার ভাইয়ের দোকানে কাজে সহযোগিতা করতেন এবং গণমাধ্যম কর্মী হিসেবেও কাজ করতেন। ছোট বেলা থেকেই মিজান অনেক নম্র ভদ্র ছেলে। ওর কোন খারাপ কাজ করতে দেখেছি বলে মনে হয় না। অনুসন্ধান চলছে




















