Dhaka ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

জামিন জালিয়াতির ঘটনায় বেঞ্চ অফিসার জাকির সাময়িক বরখাস্ত

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম : ১২:২০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / ২১ বার

কুকি-চিনের পোশাক তৈরির মামলার প্রধান আসামি সাহেদুল ইসলামের জামিন জালিয়াতির ঘটনায় বেঞ্চ অফিসার জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে হাইকোর্ট। সোমবার সকালে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২৯ এপ্রিল এই জালিয়াতির তথ্য প্রধান বিচারপতির নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এরপর পুরো ঘটনা তদন্তে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন প্রধান বিচারপতি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় সাত মাস আগে চট্টগ্রামের ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর মালিক সাহেদুল ইসলাম হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আব্দুল্লাহ ইউসুফ সুমনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য আসে। ওই সময় ভিন্ন একটি মামলার এজাহার ও তথ্য উপস্থাপন করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা হয়, যেখানে ‘কুকি-চিন’সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ ছিল না। সেই ভিত্তিতে আদালত তাকে জামিন দেয় এবং বিচারপতিরা আদেশে সই করেন।

পরবর্তীতে মূল জালিয়াতি ঘটে জামিন আদেশে। আদেশের প্রথম পৃষ্ঠায় থাকা মামলার তথ্য, থানার নাম ও অভিযোগের ধারা পরিবর্তন করে সেখানে কুকি-চিনের পোশাক জব্দের মামলার নম্বর ও ধারা বসানো হয়। এই ভুয়া আদেশ দাখিলের মাধ্যমেই কারা কর্তৃপক্ষ সাহেদুলকে মুক্তি দেয়।

২০২৫ সালের ১৭ মে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর গুদাম থেকে কেএনএফের জন্য তৈরি ২০ হাজার ৩০০ পোশাক জব্দ করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, প্রায় ২ কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাকের ক্রয়াদেশ দেয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হলে সাহেদুল ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করা হয়।

Tag :

জামিন জালিয়াতির ঘটনায় বেঞ্চ অফিসার জাকির সাময়িক বরখাস্ত

আপডেট টাইম : ১২:২০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

কুকি-চিনের পোশাক তৈরির মামলার প্রধান আসামি সাহেদুল ইসলামের জামিন জালিয়াতির ঘটনায় বেঞ্চ অফিসার জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে হাইকোর্ট। সোমবার সকালে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২৯ এপ্রিল এই জালিয়াতির তথ্য প্রধান বিচারপতির নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এরপর পুরো ঘটনা তদন্তে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন প্রধান বিচারপতি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় সাত মাস আগে চট্টগ্রামের ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর মালিক সাহেদুল ইসলাম হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আব্দুল্লাহ ইউসুফ সুমনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য আসে। ওই সময় ভিন্ন একটি মামলার এজাহার ও তথ্য উপস্থাপন করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা হয়, যেখানে ‘কুকি-চিন’সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ ছিল না। সেই ভিত্তিতে আদালত তাকে জামিন দেয় এবং বিচারপতিরা আদেশে সই করেন।

পরবর্তীতে মূল জালিয়াতি ঘটে জামিন আদেশে। আদেশের প্রথম পৃষ্ঠায় থাকা মামলার তথ্য, থানার নাম ও অভিযোগের ধারা পরিবর্তন করে সেখানে কুকি-চিনের পোশাক জব্দের মামলার নম্বর ও ধারা বসানো হয়। এই ভুয়া আদেশ দাখিলের মাধ্যমেই কারা কর্তৃপক্ষ সাহেদুলকে মুক্তি দেয়।

২০২৫ সালের ১৭ মে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর গুদাম থেকে কেএনএফের জন্য তৈরি ২০ হাজার ৩০০ পোশাক জব্দ করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, প্রায় ২ কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাকের ক্রয়াদেশ দেয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হলে সাহেদুল ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করা হয়।