ভাণ্ডারিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলায় প্রধান আসামি তেলীখালী ইউনিয়ন বি এন পির সেক্রেটারি মাহফুজ আকন গ্রেপ্তার
- আপডেট টাইম : ০৭:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
- / ২৭ বার

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে (২৮) একাধিকবার ধর্ষণ, মারধর ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে ভাণ্ডারিয়া থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছিলেন।
গ্রেপ্তার ও বর্তমান অবস্থা:
মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশি অভিযানে ১নং আসামি মো. মাহফুজ আকন কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় থাকাকালীন মাহফুজ আকন এর সাথে ওই নারীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৬ ও ২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাহফুজ তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা তাকে নানাভাবে হয়রানি শুরু করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, গত ৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তিনি মাহফুজের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবি জানালে আসামিরা তাকে পরিকল্পিতভাবে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলফোলা জখম করা হয় এবং ৪নং আসামি তার ঘাড়ে কামড়ে রক্তাক্ত জখম করে। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা ওই নারীর নিকট থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের দুল, আংটি, নগদ ৮,৩০০ টাকা এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় একটি নির্জন স্থানে ফেলে আসা হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগী হালিমা আক্তার পিরোজপুর ও ভান্ডারিয়ার সন্মানিত সংসদ সদস্য মহোদয় সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন।
পুলিশ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।




















