Dhaka ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

মোংলায় এলজিইডির রাস্তা নির্মাণে বাধা। অভিযুক্ত এক নেভির সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

সময়ের কন্ঠ সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম : ০৮:১২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / ৮ বার

ওমর ফারুক : মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা, কাপালিরমেঠসহ সাত গ্রাম এর বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র সরকারি নির্মানাধীন রাস্তার কাজে বাঁধা দেওয়ার প্রতিবাদে এক নেভির সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন গ্রামবাসী। উপজেলার কাপালিরমেঠ গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘আপাবাড়ী’ হতে ‘মজিদের দোকান’ পর্যন্ত এলজিইডির গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ গায়ের জোরে বন্ধ করে দিয়েছেন নিজামুল হক নামের ওই প্রভাবশালী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এর ফলে ওই অঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত গণ-অভিযোগ দায়ের করেছেন।
​স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণের সূত্রে জানা গেছে, কাপালিরমেঠ গ্রামের এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি কোনো নতুন বা ব্যক্তি-মালিকানাধীন পথ নয়। যুগ যুগ ধরে সিএস ও আরএস ম্যাপ অনুযায়ী এটি একটি রেকর্ডীয় সরকারি রাস্তা হিসেবেই চিহ্নিত রয়েছে। এই অঞ্চলের পূর্বপুরুষদের আমল থেকে হাজার হাজার মানুষ এই পথ দিয়ে চলাচল করছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে এই এলাকায় স্থায়ী হওয়া হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ, মৎস্যজীবী ও সাধারণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত এই সড়কটি প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন। কিন্তু সম্প্রতি এলজিইডির পক্ষ থেকে সড়কটির আধুনিকায়ন ও টেকসই পাকা করণের কাজ শুরু হলে হঠাৎ করেই তাতে মগের মুল্লুকের মতো বাধা হয়ে দাঁড়ান সাবেক সরকারি কর্মকর্তা নিজামুল হক।
​এলাকাবাসী গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, নিজামুল হক সাবেক নেভির কর্মকর্তা হওয়ায় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তার ব্যাপক জানাশোনা ও চতুর যোগাযোগ রয়েছে। আর এই প্রশাসনিক ক্ষমতার দাপট ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি হাজার হাজার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের রাস্তাটি বন্ধ করে দিচ্ছেন। সরকারি ম্যাপে স্পষ্ট ও আইনগতভাবে রাস্তার জায়গা উল্লেখ থাকার পরও তিনি ক্ষমতার অন্ধ অহংকারে সরকারি উন্নয়ন কাজে বাধা দেওয়ার দুঃসাহস দেখাচ্ছেন।
​এই জনবিচ্ছিন্ন ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ জুলফিকার আলী বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে একজন ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারিতার কাছে ১০ হাজার মানুষের ভাগ্য এভাবে জিম্মি হতে পারে না। জনগণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার এই ধৃষ্টতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। ম্যাপ অনুযায়ী যেখানে সরকারি রাস্তা বরাদ্দ রয়েছে, সেখানে কোনো ব্যক্তির ক্ষমতার দাপট টিকবে না। তিনি অনতিবিলম্বে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান করে জনস্বার্থে রাস্তাটি দ্রুত চালু করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
​এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উদয় শঙ্কর বিশ্বাস বলেন, কাপালিরমেঠ গ্রামের এই সড়কটি অত্র এলাকার হাজারো মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। রাস্তাটি প্রসারণ ও পাকা করণের কাজ শুরু হলে সাবেক নেভির কর্মকর্তা নিজামুল হক সেখানে অযৌক্তিক বাধা সৃষ্টি করেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জনস্বার্থ পরিপন্থী। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছি। জনগণের ভোগান্তি দূর করতে আইনি প্রক্রিয়ায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​অনুসন্ধানে এবং স্থানীয় ভূমি অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত নিজামুল হকের বিরুদ্ধে শুধু জনস্বার্থের রাস্তা বন্ধ করাই নয়, বরং বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে জবরদখল করে রাখারও সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে তিনি এলজিইডির এই চলমান রাস্তার পাশেই অবস্থিত প্রায় ১ একর অর্থাৎ ১০০ শতাংশ সরকারি খাল এবং ১৬ শতক সরকারি খাস জমি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নিজের সীমানাপ্রাচীরে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। এছাড়া এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমি ক্রয় করে তিনি এখন নিজেকে ওই অঞ্চলের এক অঘোষিত ও প্রভাবশালী জমিদার ভাবছেন বলে ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
​সরকারি উন্নয়ন কাজে এভাবে নগ্ন বাধা দেওয়ার কারণে একদিকে যেমন সরকারের গ্রামকে শহরে রূপান্তরের মেগা পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এখন তীব্র গণ-অসন্তোষে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো মুহূর্তে এই রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
​এই চরম অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ আবু তালেব, মোঃ শামিম শেখ ও বিধান সানুসহ এলাকার শত শত মানুষ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অনতিবিলম্বে এই অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে ১০ হাজার অবরুদ্ধ মানুষের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন এই রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
​ইতিমধ্যেই এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত আইনগত বিহিত ব্যবস্থার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাড়াও বাগেরহাট এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা ভূমি অফিস এবং মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এই প্রভাবশালী সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে ।

Tag :

মোংলায় এলজিইডির রাস্তা নির্মাণে বাধা। অভিযুক্ত এক নেভির সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৮:১২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ওমর ফারুক : মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা, কাপালিরমেঠসহ সাত গ্রাম এর বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র সরকারি নির্মানাধীন রাস্তার কাজে বাঁধা দেওয়ার প্রতিবাদে এক নেভির সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন গ্রামবাসী। উপজেলার কাপালিরমেঠ গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘আপাবাড়ী’ হতে ‘মজিদের দোকান’ পর্যন্ত এলজিইডির গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ গায়ের জোরে বন্ধ করে দিয়েছেন নিজামুল হক নামের ওই প্রভাবশালী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এর ফলে ওই অঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত গণ-অভিযোগ দায়ের করেছেন।
​স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণের সূত্রে জানা গেছে, কাপালিরমেঠ গ্রামের এই জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি কোনো নতুন বা ব্যক্তি-মালিকানাধীন পথ নয়। যুগ যুগ ধরে সিএস ও আরএস ম্যাপ অনুযায়ী এটি একটি রেকর্ডীয় সরকারি রাস্তা হিসেবেই চিহ্নিত রয়েছে। এই অঞ্চলের পূর্বপুরুষদের আমল থেকে হাজার হাজার মানুষ এই পথ দিয়ে চলাচল করছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে এই এলাকায় স্থায়ী হওয়া হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ, মৎস্যজীবী ও সাধারণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত এই সড়কটি প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন। কিন্তু সম্প্রতি এলজিইডির পক্ষ থেকে সড়কটির আধুনিকায়ন ও টেকসই পাকা করণের কাজ শুরু হলে হঠাৎ করেই তাতে মগের মুল্লুকের মতো বাধা হয়ে দাঁড়ান সাবেক সরকারি কর্মকর্তা নিজামুল হক।
​এলাকাবাসী গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, নিজামুল হক সাবেক নেভির কর্মকর্তা হওয়ায় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তার ব্যাপক জানাশোনা ও চতুর যোগাযোগ রয়েছে। আর এই প্রশাসনিক ক্ষমতার দাপট ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি হাজার হাজার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের রাস্তাটি বন্ধ করে দিচ্ছেন। সরকারি ম্যাপে স্পষ্ট ও আইনগতভাবে রাস্তার জায়গা উল্লেখ থাকার পরও তিনি ক্ষমতার অন্ধ অহংকারে সরকারি উন্নয়ন কাজে বাধা দেওয়ার দুঃসাহস দেখাচ্ছেন।
​এই জনবিচ্ছিন্ন ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ জুলফিকার আলী বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে একজন ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারিতার কাছে ১০ হাজার মানুষের ভাগ্য এভাবে জিম্মি হতে পারে না। জনগণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার এই ধৃষ্টতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। ম্যাপ অনুযায়ী যেখানে সরকারি রাস্তা বরাদ্দ রয়েছে, সেখানে কোনো ব্যক্তির ক্ষমতার দাপট টিকবে না। তিনি অনতিবিলম্বে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান করে জনস্বার্থে রাস্তাটি দ্রুত চালু করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
​এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উদয় শঙ্কর বিশ্বাস বলেন, কাপালিরমেঠ গ্রামের এই সড়কটি অত্র এলাকার হাজারো মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। রাস্তাটি প্রসারণ ও পাকা করণের কাজ শুরু হলে সাবেক নেভির কর্মকর্তা নিজামুল হক সেখানে অযৌক্তিক বাধা সৃষ্টি করেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জনস্বার্থ পরিপন্থী। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছি। জনগণের ভোগান্তি দূর করতে আইনি প্রক্রিয়ায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​অনুসন্ধানে এবং স্থানীয় ভূমি অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত নিজামুল হকের বিরুদ্ধে শুধু জনস্বার্থের রাস্তা বন্ধ করাই নয়, বরং বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে জবরদখল করে রাখারও সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে তিনি এলজিইডির এই চলমান রাস্তার পাশেই অবস্থিত প্রায় ১ একর অর্থাৎ ১০০ শতাংশ সরকারি খাল এবং ১৬ শতক সরকারি খাস জমি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নিজের সীমানাপ্রাচীরে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। এছাড়া এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমি ক্রয় করে তিনি এখন নিজেকে ওই অঞ্চলের এক অঘোষিত ও প্রভাবশালী জমিদার ভাবছেন বলে ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
​সরকারি উন্নয়ন কাজে এভাবে নগ্ন বাধা দেওয়ার কারণে একদিকে যেমন সরকারের গ্রামকে শহরে রূপান্তরের মেগা পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এখন তীব্র গণ-অসন্তোষে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো মুহূর্তে এই রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
​এই চরম অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ আবু তালেব, মোঃ শামিম শেখ ও বিধান সানুসহ এলাকার শত শত মানুষ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অনতিবিলম্বে এই অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে ১০ হাজার অবরুদ্ধ মানুষের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন এই রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
​ইতিমধ্যেই এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত আইনগত বিহিত ব্যবস্থার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাড়াও বাগেরহাট এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা ভূমি অফিস এবং মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এই প্রভাবশালী সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে ।