সম্মানিত সাংবাদিক ভাইয়েরা,আসসালামু আলাইকুম, আমি শাহেদুল ইসলাম পিতা-শামসুল আলম সওদাগর,২নং ওয়ার্ড মধ্যম মাইজ পাড়া, ঈদগাঁও কক্সবাজার
- আপডেট টাইম : ১১:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
- / ৪৬ বার

আজ পেইজবুক পেইজ নিউজ পোর্টাল টিটিএন এ ঈদগাঁও কালিরছড়ায় সাহেদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া ব্যাগে কি ছিল বিশ হাজার ইয়াবা নাকি টাকা শীর্ষক শিরোনামটি আমার দৃষ্টি গোছর হয়েছে যা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, আজগুবি ও অনুমান নির্ভর। আপনারা জানেন আসার বাপ চাচারা সবা ঈদগাঁও বাজারের প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী। পারিবারিক সুত্রে,আমিও ছোটবেলা থেকে লেখাপড়ার পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্য করে আজ একজন প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ি হিসেবে কক্সবাজারেরর আনাচে কানাচে পরিচিতি লাভ করেছি। বর্তমানে আমার রামু খেলাঘর নামক খেলার সরঞ্জাম এর দোকানটি পুরো কক্সবাজার জেলায় সুনামের সাথে পরিচিত। এছাড়া আমাদের বাপ চাচা ভাইদেরও ঈদগাঁও বাজারে বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্টান রয়েছে। আমি বিগত ২৫বছর যাবৎ খেয়ে না খেয়ে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে একাধিক খেলার সরঞ্জাম এর দোকান করে আজ এ পর্যন্ত এসেছি। আমি আপনাদের সামনেই বড় হয়েছি।কখনও কোন অবৈধ ইনকাম কিংবা কাজে জড়িত ছিলামনা,নাই এবং ভবিষ্যতেও থাকবনা ইনশাআল্লাহ। আমাকে জড়িয়ে করা সংবাদটিতে কোন সঠিক তথ্য নাই। কোথায়, কখন, কিভাবে, কারা, কার কাছ থেকে কি ছিনতাই হয়েছে এর কোন সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে পারেনি। যা সম্পুর্ণ অনুমান নির্ভর। আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যে কুচক্রী মহলের ইশারায় প্রভাবিত হয়ে এই সংবাদটি প্রচার করেছে বলে আমি মনে করছি। তাই আমার ছবি ব্যবহার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া সংবাদটির আসি তীব্র প্রতিবাদ করছি। আসল ঘটনা হচ্ছে ৫ই মে বিকালে আমি রামু খেলাঘর নামক দোকানের একসপ্তাহ যাবৎ বিক্রিত ৮লাখ টাকা ব্যাগে নিয়ে সিএনজি করে ঈদগাঁওতে আমার বাড়িতে ফিরছিলোম। পথিমধ্যে পানিরছড়া এলাকায় সিএনজি নষ্ট হয়ে গেলে ঈদগাঁওতে আগত টমটমগাড়িতে উঠি। কালির ছড়া তেঁতুল গাছ তলা নামক স্থানে পৌঁছলে দুটি মোটরসাইকেল যোগে কয়েকজন যুবক আমার টমটমের গতিরোধ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জোর পুর্বক আমার টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে চোখের পলকে মোটরসাইকেল যোগে ঈদগাঁও দিকে পালিয়ে যায়। ছিনতাইকারী হেলমেট ও মুখে মাক্স পরা থাকায় এবং মানুষের চলাচল না থাকায় কাউকে চিনতেও পারিনি। পরক্ষণেই টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানালে আমাকে থানায় জিডি করার পরামর্শ দেন। কিন্তু কাউকে চিনতে না পারায় এবং আমার বাবা অসুস্থ থাকায় আমি জিডি করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসি। এছাড়া টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি জানাজানি হলে আমার অসুস্থ বাবা যেকোন সময় হার্ট এটাকের মত দুর্ঘটনা সংঘটিত হতে পারে সেই ভয়ে আমি জিডি করা থেকে সরে আসি। এছাড়া ঘটনার পর ঈদগাঁও থানারএকজন উপ পরিদর্শকের সাথে জিডির ব্যপারে পরামর্শ করলে কোন তথ্য প্রমান না থাকায় জিডি হবে না বলেও পরামর্শ দেন। এছাড়া আমি ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজ সেবামুলক কর্মকাণ্ডেও জড়িত রয়েছি।




















