Dhaka ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

‎বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে এমন একটি দিন আছে, যেদিন আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : ০২:২১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • / ৫২ বার

{"source_type":"vicut","data":{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"17.7.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"O3AXWS95-AMBS-N582-H0ZC-SAYJMUJTN50R","pictureId":"O3AXWS95-AMBS-N582-H0ZC-SAYJMUJTN50R","capability_name":"capcut_photo_editor"},"tiktok_developers_3p_anchor_params":"{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"17.7.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"O3AXWS95-AMBS-N582-H0ZC-SAYJMUJTN50R","pictureId":"O3AXWS95-AMBS-N582-H0ZC-SAYJMUJTN50R","capability_name":"capcut_photo_editor"}"}

‎এমন একটি দিন, যেদিন আকাশের দরজাগুলো যেন রহমতের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এমন একটি দিন, যেদিন একটি আন্তরিক দোয়া, একটি চোখের অশ্রু, একটি সত্যিকারের তওবা—মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। সেই মহামূল্যবান দিনটির নাম হলো—ইয়াওমে আরাফাহ (আরাফার দিন)।

‎হজরত মুহাম্মদ সঃ বলেছেন, আরাফার দিনের দোয়াই হলো সর্বোত্তম দোয়া। ভাবুন একবার! যে দিনকে নবীজি সাঃ নিজেই দোয়ার জন্য সর্বোত্তম দিন বলেছেন, সেই দিনটিকে আমরা কীভাবে অবহেলা করতে পারি?

‎আরাফার দিনের বিশেষ ফজিলত
‎এই দিনে আল্লাহ সবচেয়ে বেশি বান্দাকে ক্ষমা করেন।
‎এই দিনে বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। যারা হজে নেই, তাদের জন্য আরাফার দিনের রোজা রাখা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল। হাদিসে এসেছে, এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহ মাফের আশা করা যায়।

‎আরাফার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দোয়া
‎নবীজি সাঃ বলেছেন, আরাফার দিনের সর্বোত্তম যিকির হলো
‎لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

‎উচ্চারণ: ‎লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

‎অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। সমস্ত রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

‎এই দিনে কী কী আমল করবেন?
‎১. বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার।
‎২. কুরআন তিলাওয়াত।
‎৩. দরুদ শরীফ পাঠ।
‎৪. নিজের, পরিবার, মা-বাবা এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া।
‎৫. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করা।


‎অনেক মানুষ সারা বছর আল্লাহকে ভুলে থাকে। কিন্তু আরাফার দিনটি হলো ফিরে আসার দিন। হয়তো আপনার জীবনে অনেক ভুল হয়েছে। হয়তো এমন কিছু গুনাহ আছে, যা কাউকে বলতে পারেন না। কিন্তু আরাফার দিনের রহমত এতটাই বিশাল যে, আন্তরিক তওবার মাধ্যমে আল্লাহ অতীতের অন্ধকারকেও আলোয় পরিণত করে দিতে পারেন।

‎আরাফার দিন শুধু ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়। এটি ক্ষমা পাওয়ার দিন। এটি চোখের পানি ফেলার দিন। এটি আল্লাহর কাছে নতুন জীবন চাওয়ার দিন। হয়তো এই আরাফাতেই আপনার সেই দোয়াটি কবুল হয়ে যাবে, যার জন্য আপনি বছরের পর বছর অপেক্ষা করছেন। তাই আরাফার দিনটি অবহেলা করবেন না।

‎সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে। যাতে অন্যরাও পড়ে উপকৃত হয়।

Tag :

‎বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে এমন একটি দিন আছে, যেদিন আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন

আপডেট টাইম : ০২:২১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

‎এমন একটি দিন, যেদিন আকাশের দরজাগুলো যেন রহমতের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এমন একটি দিন, যেদিন একটি আন্তরিক দোয়া, একটি চোখের অশ্রু, একটি সত্যিকারের তওবা—মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। সেই মহামূল্যবান দিনটির নাম হলো—ইয়াওমে আরাফাহ (আরাফার দিন)।

‎হজরত মুহাম্মদ সঃ বলেছেন, আরাফার দিনের দোয়াই হলো সর্বোত্তম দোয়া। ভাবুন একবার! যে দিনকে নবীজি সাঃ নিজেই দোয়ার জন্য সর্বোত্তম দিন বলেছেন, সেই দিনটিকে আমরা কীভাবে অবহেলা করতে পারি?

‎আরাফার দিনের বিশেষ ফজিলত
‎এই দিনে আল্লাহ সবচেয়ে বেশি বান্দাকে ক্ষমা করেন।
‎এই দিনে বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। যারা হজে নেই, তাদের জন্য আরাফার দিনের রোজা রাখা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল। হাদিসে এসেছে, এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহ মাফের আশা করা যায়।

‎আরাফার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দোয়া
‎নবীজি সাঃ বলেছেন, আরাফার দিনের সর্বোত্তম যিকির হলো
‎لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

‎উচ্চারণ: ‎লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

‎অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। সমস্ত রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

‎এই দিনে কী কী আমল করবেন?
‎১. বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার।
‎২. কুরআন তিলাওয়াত।
‎৩. দরুদ শরীফ পাঠ।
‎৪. নিজের, পরিবার, মা-বাবা এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া।
‎৫. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করা।


‎অনেক মানুষ সারা বছর আল্লাহকে ভুলে থাকে। কিন্তু আরাফার দিনটি হলো ফিরে আসার দিন। হয়তো আপনার জীবনে অনেক ভুল হয়েছে। হয়তো এমন কিছু গুনাহ আছে, যা কাউকে বলতে পারেন না। কিন্তু আরাফার দিনের রহমত এতটাই বিশাল যে, আন্তরিক তওবার মাধ্যমে আল্লাহ অতীতের অন্ধকারকেও আলোয় পরিণত করে দিতে পারেন।

‎আরাফার দিন শুধু ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়। এটি ক্ষমা পাওয়ার দিন। এটি চোখের পানি ফেলার দিন। এটি আল্লাহর কাছে নতুন জীবন চাওয়ার দিন। হয়তো এই আরাফাতেই আপনার সেই দোয়াটি কবুল হয়ে যাবে, যার জন্য আপনি বছরের পর বছর অপেক্ষা করছেন। তাই আরাফার দিনটি অবহেলা করবেন না।

‎সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে। যাতে অন্যরাও পড়ে উপকৃত হয়।