Dhaka ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুর জেলার, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে, তিন নাম্বার ওয়ার্ডে, ভাড়া বাসা থেকে রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি, আফজাল মিয়ার তথ্য ও চিত্রে।
  • আপডেট টাইম : ০১:১৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / ৩৮ ০০০ বার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি ভাড়া বাসা থেকে ওবায়দুর রহমান সুমন (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার( ২২ জুলাই) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুইজগেট এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওবায়দুর রহমান বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম ময়েন প্রামাণিক। তিনি দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের সুইজগেট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক সংকট ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে ওবায়দুরের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাঝেমধ্যে বিরোধ হতো। এসব কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহতের স্ত্রী সখি বেগম বলেন, তাঁর স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। কিছু টাকা সঞ্চয় করেছিলেন। পরে অনলাইন জুয়ায় জড়িয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। তাঁর স্বামীর অনেক টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল। বুধবার সকালে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনস্থানে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে ।ময়নাতদন্তের পরে আসল রহস্য উন্মোচন করা যাবে।

জাতীয় নিউজ

পিরোজপুর জেলার, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে, তিন নাম্বার ওয়ার্ডে, ভাড়া বাসা থেকে রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০১:১৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি ভাড়া বাসা থেকে ওবায়দুর রহমান সুমন (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার( ২২ জুলাই) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুইজগেট এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওবায়দুর রহমান বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম ময়েন প্রামাণিক। তিনি দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের সুইজগেট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক সংকট ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে ওবায়দুরের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাঝেমধ্যে বিরোধ হতো। এসব কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহতের স্ত্রী সখি বেগম বলেন, তাঁর স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। কিছু টাকা সঞ্চয় করেছিলেন। পরে অনলাইন জুয়ায় জড়িয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। তাঁর স্বামীর অনেক টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল। বুধবার সকালে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনস্থানে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে ।ময়নাতদন্তের পরে আসল রহস্য উন্মোচন করা যাবে।