গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিক নিখোস মাদ্রাসার ছাত্র দুইজন ব্যবসায়িকেসহ নাটকীয় কায়দায়! জঙ্গিবিরোধী ট্যাগদিয়ে অভিযান ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করে আবারো বিতর্কে আসেন হারুন অর রশিদ
- আপডেট টাইম : ১১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৬
- / ৩ ০০০.০০.বার দেখেছেন

গত ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে ৯
জনের মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। বিতর্ক পড়ে গেছেন গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

পরবর্তী সময়ে এই অভিযানকে কেন্দ্র করে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের পারিবারিক অবস্থা এবং অভিযানের প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসে।
সাপ্তাহিক সময়ের কণ্ঠের তৎকালীন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্মৃতিচারণে বলা হয়েছে, পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণে এ ঘটনা নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েল। প্রতিবেদনে নিহতদের মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিক,একজন মাদ্রাসাছাত্র ও ব্যবসায়ী থাকার অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছিল। অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছিল।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছিল, একজন মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর মা নোয়াখালীর একটি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে গাজীপুরের অভিযানে ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার বিষয়টি অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল মনে করেন নিজস্ব প্রতিবেদক।
বদলির ধারাবাহিকতা
প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১ আগস্ট হারুন অর রশীদকে গাজীপুর থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার পদে বদলি করা হয়। একই বছরের ২ ডিসেম্বর তাঁকে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার করা হয়।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপট এবং বদলির প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
হারিয়ে যাওয়া পত্রিকার নথি
সাপ্তাহিক সময়ের কণ্ঠের তৎকালীন সম্পাদক ও প্রকাশকের বক্তব্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে পত্রিকার অফিস লুটপাটের ঘটনায় পুরোনো সংবাদপত্রের কাটিং, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের অনুসন্ধান যাচাই করে জনগণের সম্মুখে আনার দরকার মনে করেন সুশীল সমাজ।
নতুন করে অনুসন্ধানের দাবি
সময়ের কণ্ঠ মনে করে, এই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট পরিবারের বক্তব্য, নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, মামলার নথি, সংবাদ আর্কাইভ এবং সরকারি বদলির প্রজ্ঞাপন সংগ্রহ করা প্রয়োজন। অনুসন্ধান চলছে
মোহাম্মদ বোরহান হাওলাদার জসিম
তৎকালীন সম্পাদক ও প্রকাশক
সাপ্তাহিক সময়ের কণ্ঠ










