আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে
- আপডেট টাইম : ১১:১৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
- / ১ ০০০. ০০ বার

চলমান পরিস্থিতি মাদক বিস্তার, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, সরকারি দলে অভ্যন্তরীণ বিরোধে খুনোখুনি, একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, ডাকাতি, ছিনতাইসহ প্রকাশ্যে কোপাকুপি, রাতে অপহরণসহ বহুবিধ অপরাধের ঘটনা ঘটে প্রসদ চলেছে। কোনো অপরাধের খবর পেয়ে খয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর খোদ পুলিশের ওপর চড়াও হচ্ছে বিক্ষুব্ধরা।
এসবভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক অস্থিরতা আরো ৫৩ বাড়ছে। ভিডিওগুলোয় শোনা যাচ্ছে, ‘বিচার হবে না, আমরা বিচার করবে।’ সব মিলিয়ে অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। খোদ রাজধানীর কোনো কোনো এলাকায় জননিরাপত্তার সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে।
চব্বিশের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভঙ্গুর হয়ে পড়ায় জনমনে উদ্বেগ ছিল। আশা ছিল রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। কিন্তু খুন, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। পুলিশের মাঠ পর্যায়ে নানারকম ভীতি কাজ করছে। শক্তভাবে আইন প্রয়োগ করতে পারছে না পুলিশ। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশের খোয়া খোয়া যাওয়া এক হাজার ৩২৮টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ওই সব অস্ত্র দুর্বৃত্তদের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কার কথা বলছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত ওই অস্ত্র উদ্ধার করা না গেলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে।
পুলিশ বলছে, ভীতি কাটাতে পুলিশের বিভিন্ন মোটিভেশন ট্রেনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের গাড়িসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। অপরাধবিজ্ঞানীরা বলছেন, বিভিন্ন কারণে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। সামাজিক সমস্যার সমাধান ও পুলিশকে শক্তিশালী করা না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এএইচএম শাহাদাত হোসেন আমার দেশকে বলেন, ‘আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
ঢাকা অপরাধ বিশেষজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলেন, ‘অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শান্তির ব্যবস্থা করতে হবে। শান্তির বিলম্বিত ব্যবস্থায় অপরাধীরা অপরাধ করার সুযোগ পাচ্ছে। একই সঙ্গে অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের সংশয় রয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, ১০৯৯ সালের গত চার মাসে (ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল ও (ঘ) এক হাজার ২০২ জন খুন হয়েছে। এ সময়ে ছিনতাই হয়েছে ৫৯৬টি, হচ্ছে ডাকাতি ১৬০টি এবং অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ১৯৫টি।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে মব সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন, আহত হন ৬৮ জন। ৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন পাঁচজন, আহত হয়েছেন ২৮৯ জন। ৩০৫ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ৭৬ নারী ও কন্যাশিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৭ নারী ও শিশু। এপ্রিলে ৯৮টি ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং ৫৩৩ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। মার্চে ১১৩টি ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৯১২ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছে ১৫ জন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে খুন হয়েছে ২১ জন, নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৩৮ জন; মার্চে খুন হয়েছে ২৪ জন, নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৫৬ জন; এপ্রিলে খুন হয়েছে ১৭ জন এবং নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৭০টি এবং অপহণের ঘটনা ঘটেছে ২১টি; মে মাসে খুন হয়েছে ১৬ জন এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৫২ নারী ও শিশু।
২০২৫ সালের অক্টোবরে খুন হয় ২২ জন, দস্যুতা হয় ২৯টি, নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার ৬৩টি এবং অপহরণ হয় ২৪টি; নভেম্বরে খুন হয় ২৭ জন, ধর্ষণের শিকার হয় ৫০ নারী ও শিশু এবং অপহণের শিকার হয় ২৮ জন; ডিসেম্বরে খুন হয় ২০ জন, ধর্ষণের শিকার হয় ৫৫ নারী ও শিশু এবং সিঁধেল চুরির ঘটনা ঘটে ৪৪টি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে খুন করা হয় ২১ জনকে এবং ধর্ষণের শিকার হয় ২৬ নারী ও শিশু।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বলছে, চলতি বছরের তিন মাসে দেশে ১২৮ নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। জানুয়ারিতে ৩৫ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩১ এবং মার্চে সবচেয়ে বেশি ৬১ জন। এর মধ্যে মার্চে ছয় বছরের নিচে পাঁচ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। তাদের মধ্যে একজন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার। ১৩ থেকে ১৮ বছরের ১০ জন, ১৯ থেকে ২৪ বছরের চারজন, ২৫ থেকে ৩০ বছরের তিনজন এবং ৩০ বছরের বেশিসহ অন্যান্য বয়সের ২৬ জন ধর্ষণের শিকার হন।
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুন
গত শনিবার চট্টগ্রামের রাউজানের জনাকীর্ণ এক বাজারে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পাঁচ-সাতজনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদল গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দুর্বলতাকেই দায়ী করেন সবাই। গত ৪ মে খুলনা নগরীর লবণচরা থানা এলাকার কোবা মসজিদসংলগ্ন এলাকায় রাজু হাওলাদার (৩৮) নামে এক যুবককে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গত ৮ মে খুলনার বটিয়াঘাটায় আজিজুল ইসলাম (৩৮) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। গত ১৭ মে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার পশ্চিম বানিয়াখামার তিন মাথার মোড়ে ব্যবসায়ী আলী নূর ডাবলু (৫০) গুলিবিদ্ধ হন। গত ১৯ মে খুলনা মহানগরীর জাতিসংঘ পার্কসংলগ্ন এলাকায় খাদ্য পরিবহন সংরক্ষণ ঠিকাদার সমিতির অফিসে গুলির ঘটনা ঘটে। এতে সমিতির সহসভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ (৬২) গুলিবিদ্ধ হন। গত ২৮ এপ্রিল রাতে রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহত হন শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। এর আগে ১২ এপ্রিল বিকালে মোহাম্মদপুরে এলেক্স ইমন নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে এবং ১৫ এপ্রিল গভীর রাতে আসাদুল হক নামে আরেক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়।
১৪ এপ্রিল রাতে যাত্রাবাড়ীর কাজলায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে কলেজছাত্রী মাহাদিয়া হাসানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ১৫ মার্চ রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবুল ইসলামকে গুলি ও ‘কুপিয়ে খুন করা হয়। এতে জড়িতদের ধাওয়া দিলে সিহাব নামের একজন ধরা পড়ে এবং তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
গত ১১ এপ্রিল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ফিলিপনগরে নিজের দরবার শরিফে পীর আবদুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ২৬ এপ্রিল চট্টগ্রামের রাউজানে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে প্রাণ হারান যুবদল কর্মী নাসির উদ্দিন।
সামাজিক অপরাধ ও নৃশংস খুন
গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের ছোট্ট নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। গত ১৭ মে রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকা থেকে পলিথিনে মোড়ানো মাথাবিহীন লাশের সাত টুকরা উদ্ধার করে পুলিশ। মোকাররম নামে ওই ব্যক্তিকে প্রেম ও আর্থিক লেনদেন কেন্দ্র করে হত্যা করা হয়। গত ৯ মে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আন্দালিব সাদমান রাফি (৯) নামে এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, অনলাইনে জুয়ার টাকা নিয়ে শিশুটির বাবার সঙ্গে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ অভিযুক্ত নূর মুহাম্মদ খোকনের বাড়ির স্যানিটারি ল্যাট্রিনের রিং স্ল্যাবের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে। গত ৯ মে গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামে শারমিন আক্তার (৩০), তার তিন সন্তান মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮) ও ফারিয়া (২) এবং রসুল মিয়াসহ (২২) পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আর্থিক লেনদেন, পরকীয়া ও পারিবারিক কলহের জেরে শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে মতিঝিলে মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে লাশ সাত টুকরা করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয় তার রুমমেট শাহীন আলম। গত ১৪ এপ্রিল রাতে যাত্রাবাড়ীর কাজলায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে কলেজছাত্রী মাহাদিয়া হাসান নবনী ওরফে দিয়ামনিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার মা, বোন ও ভাইও গুরুতর আহত হন। এ সময় দিয়ামনির মায়ের একটি কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পুলিশের ওপর হামলা বিক্ষুব্ধদের
গত ২০ মে রাজধানীর মিরপুরের বাউনিয়াবাদ এলাকায় বস্তি উচ্ছেদে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ বস্তিবাসীরা। এতে সাত পুলিশ সদস্য আহত হন। গত ১১ মে মোহাম্মদপুরে ছিনতাইকারীদের ধরতে গেলে পুলিশের ওপর হামলা করে ছিনতাইকারীরা। পুলিশ ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গত ১৬ জুন আদাবরে অভিযান চালাতে গিয়ে ওসিসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনতাইকারীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
গত ১৬ জুন শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আসামি ধরাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় লালমনিরহাটের আদিতমারী। এতে পুলিশ সুপার (এসপি), ওসিসহ ২০ জন আহত হয়। জেলা প্রশাসকের (ডিসি) গাড়িসহ প্রশাসনের সাতটি গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা।
খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার হয়নি
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে ব্যাপক জনরোষের শিকার হয় থানাসহ পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনা। পুলিশের অস্ত্রাগার থেকে ৫৭৬৩টি অস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে এখনো উদ্ধার হয়নি ১৩২৮টি অস্ত্র। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩৩টি এসএমটির মতো সাবমেশিনগান। এছাড়া রয়েছে এসএমজি ২২২টি, চায়না রাইফেল এক হাজার দুটি এবং ৩১টি বিভিন্ন মডেলের অত্যাধুনিক অস্ত্র। এছাড়া একই সময়ে বিভিন্ন থানা থেকে লুট হয়ে যায় ছয় লাখ ৫২ হাজার গোলাবারুদ। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে তিন লাখ ৯৫ হাজারটি। বাকি দুই লাখ ৫৭ হাজার গোলাবারুদ এখনো উদ্ধার হয়নি। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বোরের গুলি দুই লাখ ৪৪ হাজার, টিয়ারগ্যাস সেল ১১ হাজার ৩৮১, টিয়ার গ্যাস গ্রেনেড ২৯১, সাউন্ড গ্রেনেড এক হাজার ১৬৮, কালার স্মোক গ্রেনেড ৪১, মাল্টিপল ব্যাং স্টান গ্রেনেড ২২, ফ্ল্যাশ ব্যাং গ্রেনেড ২৮৪ এবং হ্যান্ড হেল্ড টিয়ারগ্যাস স্প্রে (ক্যানিস্টার) ১১৬টি।
পুলিশের মনোবল বাড়ানোর উদ্যোগ
মাঠপর্যায়ে পুলিশের মোটিভেশনাল ট্রেনিং বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। চলতি বছরব্যাপী এই ট্রেনিং চলবে বলে জানা গেছে। লজিস্টিক সাপোর্ট এবং পুলিশের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে ২১২টি ডাবল কেবিন পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮২ কোটি ৩২ লাখ টাকা।
পুলিশ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, টহল কার্যক্রম পরিচালনা, অপরাধ দমন এবং জরুরি অভিযানে পুলিশের কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে এসব যানবাহন কেনা হচ্ছে। নতুন পিকআপ যুক্ত হলে মাঠপর্যায়ে পুলিশের চলাচল ও অপারেশনাল সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।



















