Dhaka ০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

এর ঘটনা: গর্ভধারণ ও সময়কাল নিয়ে পরিবারের অভিযোগ, তদন্ত চায় স্বজনরা`সস্যার ভিতরে বহুত

সময়ের অনুসন্ধান রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / ৩ ০০০. ০০ বার

সরকারি দলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো মামলার ঘটনা ঘিরে গর্ভধারণের সময়কাল ও পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনার সময়রেখা ও মেডিকেল রিপোর্টে অসামঞ্জস্য রয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০ তারিখ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত মোট ২৩ দিন। এর মধ্যে ১ তারিখে ভুক্তভোগী নিখোঁজ ছিলেন ২ দিন। রক্তপাত বন্ধের ওষুধ ৩ দিন আগে দেওয়া হয় এবং ভ্রূণ নষ্টের ওষুধ আরও ৪ দিন আগে খাওয়ানো হয় বলে তারা দাবি করছেন। তাদের হিসাবে শেষ পর্যন্ত ১৪ দিনের সময় বাকি থাকে।

*পরিবারের অভিযোগ:*
ভুক্তভোগীর স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, “এই সময়ের মধ্যে গর্ভধারণ কীভাবে সম্ভব তা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন আছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য ও মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে আমাদের সংশয় রয়েছে। আমরা চাই স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক।”

*পুলিশের বক্তব্য:*
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার এসপি/ওসি সাহেবের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট ও আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তারমানে জামায়াতে সংসদে যেই আলোচনা করেছেন সেই আলোচনা বুঝা গেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের সাথে একমত করে বিগত দিনে আইন প্রশাসন যেভাবে চলেছে দলীয় ক্রমে এভাবেই তাদের শিখিয়ে দেওয়া হচ্ছে আজ সংসদে এই কথাটি পরিষ্কার হয়েছে বিরোধী দলের মতে।

*চিকিৎসকের মত:*
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গাইনী চিকিৎসক বলেন, “গর্ভধারণের পর হরমোনের মাত্রা বাড়তে সময় লাগে। প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ আসতে সাধারণত ১০-১৪ দিনের বেশি সময় লাগে। তবে মেডিকেল রিপোর্ট, আলট্রাসনোগ্রাম ও ল্যাব টেস্ট ছাড়া সময়কাল নিয়ে মন্তব্য করা বিজ্ঞানসম্মত নয়।”

*আইনজীবীদের দাবি:*
মামলার আইনজীবীরা নিরপেক্ষ তদন্ত ও মেডিকেল বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, সময়রেখা ও মেডিকেল তথ্যে অস্পষ্টতা থাকলে আদালতে প্রশ্ন উঠবে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিলের সময় সব তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

জাতীয় নিউজ

এর ঘটনা: গর্ভধারণ ও সময়কাল নিয়ে পরিবারের অভিযোগ, তদন্ত চায় স্বজনরা`সস্যার ভিতরে বহুত

আপডেট টাইম : ০৯:৫০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

সরকারি দলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো মামলার ঘটনা ঘিরে গর্ভধারণের সময়কাল ও পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনার সময়রেখা ও মেডিকেল রিপোর্টে অসামঞ্জস্য রয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০ তারিখ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত মোট ২৩ দিন। এর মধ্যে ১ তারিখে ভুক্তভোগী নিখোঁজ ছিলেন ২ দিন। রক্তপাত বন্ধের ওষুধ ৩ দিন আগে দেওয়া হয় এবং ভ্রূণ নষ্টের ওষুধ আরও ৪ দিন আগে খাওয়ানো হয় বলে তারা দাবি করছেন। তাদের হিসাবে শেষ পর্যন্ত ১৪ দিনের সময় বাকি থাকে।

*পরিবারের অভিযোগ:*
ভুক্তভোগীর স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, “এই সময়ের মধ্যে গর্ভধারণ কীভাবে সম্ভব তা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন আছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য ও মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে আমাদের সংশয় রয়েছে। আমরা চাই স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক।”

*পুলিশের বক্তব্য:*
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার এসপি/ওসি সাহেবের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট ও আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তারমানে জামায়াতে সংসদে যেই আলোচনা করেছেন সেই আলোচনা বুঝা গেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের সাথে একমত করে বিগত দিনে আইন প্রশাসন যেভাবে চলেছে দলীয় ক্রমে এভাবেই তাদের শিখিয়ে দেওয়া হচ্ছে আজ সংসদে এই কথাটি পরিষ্কার হয়েছে বিরোধী দলের মতে।

*চিকিৎসকের মত:*
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গাইনী চিকিৎসক বলেন, “গর্ভধারণের পর হরমোনের মাত্রা বাড়তে সময় লাগে। প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ আসতে সাধারণত ১০-১৪ দিনের বেশি সময় লাগে। তবে মেডিকেল রিপোর্ট, আলট্রাসনোগ্রাম ও ল্যাব টেস্ট ছাড়া সময়কাল নিয়ে মন্তব্য করা বিজ্ঞানসম্মত নয়।”

*আইনজীবীদের দাবি:*
মামলার আইনজীবীরা নিরপেক্ষ তদন্ত ও মেডিকেল বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, সময়রেখা ও মেডিকেল তথ্যে অস্পষ্টতা থাকলে আদালতে প্রশ্ন উঠবে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিলের সময় সব তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা হবে।