বাহুবলে প্রবাসীর মার্কেট বিরোধ: ৪ মাস পর পুলিশের অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল,আদালতে মামলার পরামর্শ`দিয়ে থাকেন
- আপডেট টাইম : ১২:৩০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
- / ২৭ ০০০. ০০ বার

*হবিগঞ্জের বাহুবল:* হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানাধীন বাহুবল বাজারের “কাজী ম্যানশন” নামীয় মার্কেট ও টিনশেড বাসা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দায়ের করা অভিযোগের প্রায় ৪ মাস পর পুলিশের অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
বাহুবল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২২/০২/২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযোগকারী ইংল্যান্ড প্রবাসী মোঃ খলিলুর রহমান কাজীর পক্ষে “দৈনিক সময়ের কন্ঠ” পত্রিকার সম্পাদক বোরহান হাওলাদার জসিম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ও হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
*রিপোর্টে যা উঠে এসেছে:*
প্রতিবেদন অনুযায়ী,সরেজমিনে তদন্তে জানা যায়,১২ শতাংশ জমির মধ্যে ৬ শতাংশ জমি বাদীর পিতা মরহুম কাজী ইউসুফ চৌধুরী ১৯৭৩ সালে ক্রয় করে মালিক ও দখলদার হন। বাদীর পিতা লন্ডন প্রবাসী হওয়ায় “কাজী ম্যানশন” নামীয় মার্কেট ও টিনশেড বাসা নির্মাণ করে ভাড়া আদায় করতেন। বাদীর পিতার মৃত্যুর পর অপর পক্ষ ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত জমির অপর ৬ শতাংশ নিয়ে মাননীয় হাইকোর্টে রিট পিটিশন মামলা নং 9760/2023 চলমান রয়েছে।
*পরামর্শ:*
প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়, অভিযোগের বিষয়টি যেহেতু জমি-মার্কেট-দোকানপাট দখল-বেদখল সংক্রান্ত, তাই বাদীকে বিজ্ঞ আদালতে দেওয়ানি মামলা করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।
*ভুক্তভোগীর বক্তব্য:*
প্রবাসী খলিলুর রহমান কাজী বলেন,”আমি ন্যায়বিচারের জন্য দরখাস্ত দিয়েছি। পুলিশ রিপোর্টে আদালতে যেতে বলা হয়েছে। আমি হাইকোর্টের মামলার সাথে সমন্বয় করে আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।”
*সম্পাদকীয় নোট:* অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা যাবে না। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। সেই সাথে এই অভিযোগ কে কেন্দ্র করে যে অনিয়মের কথা উঠেছে লন্ডন প্রবাসী খলিলুর রহমান কাজী দরখাস্তকারীকে মুঠ ফোনে বলেছিলেন এই তদন্ত রিপোর্টটা আমাদের আনতে ২ লাখ টাকা লেগেছে সেই টাকা দিয়েছে বলে জানান সে অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলামকে দিয়েছে কিন্তু আসলেই সব অনুসন্ধানী খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় এইটা কার নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল তাহার নিজেরই লোক এক নম্বরে ফরিদ মিয়া তার সহকারী নিয়াজ উদ্দিন তাদের কাছে এই দুই লাখ টাকা দিয়েছিলেন সে ফোনে জানিয়েছে পরে তাহলে এরকম ঘটনা যারা ঘটালো তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ করেছেন দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক অনুসন্ধান চলছে।



















