Dhaka ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ঘুষ, হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / ৬৭৫ ০০০ বার

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং জব্দকৃত আলামত আত্মসাতের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, গত চার বছর ধরে তিনি দায়িত্ব পালনকালে প্রভাব বিস্তার করে মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া, নিজেকে মাদক ক্রেতা পরিচয় দিয়ে অভিযানের নামে মাদক বিক্রেতাদের আটক করার পর জব্দকৃত মাদকের একটি অংশ যথাযথভাবে অফিসে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ মানুষকে মাদক মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় অর্থ আদায় করেছেন তিনি। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কোর্টে বদলি করা হলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট এসপি অফিসে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কনস্টেবল সাখাওয়াত বা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকায় চোখ রাখুন
উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় নিউজ

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ঘুষ, হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৮:৩১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং জব্দকৃত আলামত আত্মসাতের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, গত চার বছর ধরে তিনি দায়িত্ব পালনকালে প্রভাব বিস্তার করে মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া, নিজেকে মাদক ক্রেতা পরিচয় দিয়ে অভিযানের নামে মাদক বিক্রেতাদের আটক করার পর জব্দকৃত মাদকের একটি অংশ যথাযথভাবে অফিসে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ মানুষকে মাদক মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় অর্থ আদায় করেছেন তিনি। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কোর্টে বদলি করা হলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট এসপি অফিসে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কনস্টেবল সাখাওয়াত বা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকায় চোখ রাখুন
উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।