Dhaka ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে ইরান

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / ২০ ০০০ বার

ছবি: সংগৃহীত
কৌশলগত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য কিলওয়েন গ্রুপের চেয়ারম্যান হারলান উলম্যান বলেছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগতভাবে কঠিন অবস্থায় ফেলেছে।

সাবেক এই মার্কিন নৌ কর্মকর্তা আলজাজিরাকে বলেন, একেবারে শুরু থেকেই এটা অস্পষ্ট ছিল যে, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত লক্ষ্য কী ছিল। অনেকেই প্রশ্ন করছেন—ইরান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী অর্জন করতে চেয়েছিল?

উলম্যানের মতে, সামরিক শক্তি অনেক বেশি হলেও তাকে কৌশলগত সাফল্যে পরিণত করার ক্ষেত্রে কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষমতা অনেক শক্তিশালী। কিন্তু তারা কি ইরানের ওপর এত চাপ দিতে পারবে যে ইরান তার নীতি বা মনোভাব বদলে ফেলবে? আমার মনে হয়, সেটা সম্ভব নয়।’

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের নতুন প্রস্তাবহরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের নতুন প্রস্তাব
তিনি আরো বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে ইরানই তুলনামূলক ভালো অবস্থানে আছে। কারণ ইরানকে শুধু এইটুকু বলতে হবে যে, ‘আমরা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেব। আমরা উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা চালাব। এতেই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে।’

তার মতে, ‘অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মূলত আকাশপথে হামলা চালানো ছাড়া তেমন কোনো কার্যকর উপায় নেই। কিন্তু এতে এমন কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না, যা দুই পক্ষের কারও জন্যই ভালো।’

উলম্যান সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তার মতে, বিশ্ব অর্থনীতি এই পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত নয়।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বে ব্যবহৃত মোট জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। যদি এই পথ একদিন, এক সপ্তাহ, এক মাস বা আরো দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।’

সূত্র: আলজাজিরা

জাতীয় নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে ইরান

আপডেট টাইম : ০৩:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
কৌশলগত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য কিলওয়েন গ্রুপের চেয়ারম্যান হারলান উলম্যান বলেছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগতভাবে কঠিন অবস্থায় ফেলেছে।

সাবেক এই মার্কিন নৌ কর্মকর্তা আলজাজিরাকে বলেন, একেবারে শুরু থেকেই এটা অস্পষ্ট ছিল যে, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত লক্ষ্য কী ছিল। অনেকেই প্রশ্ন করছেন—ইরান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী অর্জন করতে চেয়েছিল?

উলম্যানের মতে, সামরিক শক্তি অনেক বেশি হলেও তাকে কৌশলগত সাফল্যে পরিণত করার ক্ষেত্রে কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষমতা অনেক শক্তিশালী। কিন্তু তারা কি ইরানের ওপর এত চাপ দিতে পারবে যে ইরান তার নীতি বা মনোভাব বদলে ফেলবে? আমার মনে হয়, সেটা সম্ভব নয়।’

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের নতুন প্রস্তাবহরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের নতুন প্রস্তাব
তিনি আরো বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে ইরানই তুলনামূলক ভালো অবস্থানে আছে। কারণ ইরানকে শুধু এইটুকু বলতে হবে যে, ‘আমরা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেব। আমরা উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা চালাব। এতেই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে।’

তার মতে, ‘অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মূলত আকাশপথে হামলা চালানো ছাড়া তেমন কোনো কার্যকর উপায় নেই। কিন্তু এতে এমন কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না, যা দুই পক্ষের কারও জন্যই ভালো।’

উলম্যান সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তার মতে, বিশ্ব অর্থনীতি এই পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত নয়।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বে ব্যবহৃত মোট জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। যদি এই পথ একদিন, এক সপ্তাহ, এক মাস বা আরো দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।’

সূত্র: আলজাজিরা