Dhaka ১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কান্ড!  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত টিমের উপর বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শিত করে নিয়োগকে স্থায়ীকরণের উদ্যোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : ০২:৫৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩৩০ ০০০.০০.বার দেখেছেন

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জনবল নিয়োগকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় এসেছে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বৈধতা। নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, বিধিমালা লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
গত ১১ জুন দৈনিক বাংলাদেশ কণ্ঠ-এ প্রকাশিত “কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে নিয়োগ নিয়ে নতুন বিতর্ক, শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা” শীর্ষক প্রতিবেদনের পর অভিযোগগুলোর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্তের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেন মাধ্যমিক উইংয়ের পরিচালক প্রফেসর মো:  সাখাওয়াত হোসেন খান মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্ত ঢাকা ।  জাকিরুল ইসলাম মন্ডল সহকারী আইন মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা।
তদন্তকারী দল কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হয়ে নিয়োগসংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক চেয়ারম্যান জামাল নাসেরের দায়িত্বকালীন সময়ে গঠিত ১১ সদস্যের নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে মোট ৩৮ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যমান প্রবিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এবং স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মাহমুদুল হাসান নামে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়, যিনি সাবেক চেয়ারম্যানের চাচাতো শ্যালক বলে অভিযোগকারীদের দাবি। একইভাবে বোর্ডের মসজিদের ইমাম পদে সাবেক চেয়ারম্যানের আপন শ্যালককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়।
এছাড়া ইমরান হোসেন নামে এক কর্মচারী প্রতিবন্ধী কোটায় চাকরি গ্রহণের ক্ষেত্রে ভুয়া প্রতিবন্ধী সনদ ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি প্রকৃতপক্ষে শারীরিক প্রতিবন্ধী নন। তদন্ত কমিটি এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশেষ করে অন্যান্য  নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অসঙ্গতি, প্রয়োজনীয় বিধি অনুসরণ না করা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হয়েছে। তদন্তকালে বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাছ থেকেও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
তদন্ত চলাকালে সাবেক চেয়ারম্যান জামাল নাসের, বোর্ডের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকারী দল নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করেন।
তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানান, তদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হবে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা  গ্রহণ করবেন কর্তৃপক্ষ।  কুমিল্লা মাধ্যমিক ও  উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মচারী বলেন তদন্ত ঘটনা সত্য তা হলেও প্রতিবেদন না পাওয়ার কারণে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড নিয়োগকৃতদেরকে স্থায়ী  করার উদ্যোগের লক্ষে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট  একটি কমিটি গঠন করেন।
প্রফেসর ডঃ মোঃ শফিকুল  ইসলাম,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
প্রফেসর মোঃ শিপন মিয়া কলেজ পরিদর্শক,
জনাব মোঃ শামসিল আরেফিন ভূঁইয়া,উপসচিব প্রশাসন,
মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মজুমদার উপ কলেজ পরিদর্শক,
আব্দুর রউফ প্রোগ্রামার, উক্ত কমিটির মাধ্যমে একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে কমিটি গঠন বিভিন্ন  পদে নিয়োগ কৃত দেরকেস্থায়ী করার লক্ষে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত টিমের প্রতি কেনরকম তোয়াক্কা না করিয়া অবৈধ বেয়াআনি এবং নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের চেয়ারম্যান জামাল নাছের পূর্বপরিকল্পিতভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়াটিকে সমাধান করেন বিশেষ সূত্রে জানা যায় গত ৭-১০ ২০২৬ ইংরেজি তারিখে যার স্বারক নং ৬/১১,যাদের বিরুদ্ধে নিয়োগের অভিযোগে বাস্তব সত্যতা রয়েছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড তাদেরকে স্থায়ী করার লক্ষ্যে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয় পত্র প্রেরন  করেন অভিযুগে অভিযুক্ত নিয়োগকৃতদের পুলিশ ভেরিফিকেশন নেওয়ার জন্য। এই বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে কর্মচারী কর্মকর্তাদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে একজন কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এই ধরনের ঘটনা এই প্রথমেই ঘটেছে পূর্বে যাদেরকে নিয়োগ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদেরকে শিক্ষা বোর্ডের কার্যালয় থেকে  বাতিল করা হয়েছে এমন বহু নজির রয়েছে।  এই মর্মে দেখা যায় বিশেষ করে একজনের নামেই বললেন হেলালী। বর্তমান সিবিএ নেতা এরকম অনেকেই রয়েছেন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডকে দুর্নীতিমুক্ত এবং দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে রক্ষা করার জন্য মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর উপর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এবং যারা অবৈধভাবে প্রফেসর সাবেক চেয়ারম্যান জামাল নাসেরের সময়কালে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদেরকে বাতিল পূর্বক নিয়ম নীতির সঠিক মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পূর্বের নিয়োগকৃতদেরকে বাতিল করে নতুন ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া করার জন্য মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রির দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।   এবং শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্তের বিষয়টি সঠিকভাবে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।          

জাতীয় নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media