Dhaka ০১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার আকমাম ও সম্পাদক ও অ্যাডভোকেট শাবু

সময়ের কন্ঠ সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম : ১২:১৮:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / ৬০ ০০০. ০০ বার

নিউইয়র্ক: অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা ও দক্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনক’-এর শীর্ষ দুই পদের নেতৃত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে। সংগঠনের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ ও সঠিক পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগে সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিনকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

গত ৫ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি সেন্টারে আয়োজিত কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেলেন আকমাম ও আতিকুর
সংগঠনটিকে গতিশীল রাখতে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সিদ্ধান্তে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে।

এতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বর্তমান সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার মো: আকমাম খান।
​ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক-১ অ্যাডভোকেট মো: আতিকুর রহমান শাবু-র ওপর।

সভায় সাবেক নেতাদের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভ্রান্তি ও প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা হয়। জানানো হয় যে, কবর ক্রয় বা আর্থিক হিসাব নিয়ে সোসাইটিতে কোনো বিরোধ নেই। সংগঠনের মুসলিম সদস্যদের জন্য বিগত কমিটিগুলোর উদ্যোগে ৩৫টি কবর কেনা হয়েছিল। যা সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী সামসুদ্দোহা, অ্যাডভোকেট জুনেল আহমদ জনি এবং অ্যাডভোকেট এম. মতিউর রহমানের নামে যৌথভাবে নিবন্ধিত। মুসলিম সদস্যদের জন্য কবর ক্রয়ের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী সদস্যদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে সমপরিমাণ অর্থ সোসাইটির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত (সঞ্চয়) রাখা আছে।

বিগত ২০২৪-২০২৫ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির যাবতীয় হিসাব-নিকাশ সোসাইটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) বৈধভাবে পাস হয়েছিল। তৎকালীন সভাপতি অ্যাডভোকেট এম. মতিউর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া সুলতানা এবং কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মাহবুব আলমের যৌথ স্বাক্ষরিত উক্ত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনটি সাধারণ সদস্যদের উপস্থিতিতেই সর্বসম্মত অনুমোদন পায়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সংগঠনটির সংবিধানের বেশ কিছু ধারা (আর্টিকেল) সংশোধনপূর্বক ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিদায়ী সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সংগঠনটি পরিচালনায় চরম অক্ষমতার পরিচয় দেন। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মতে, এই ঐতিহ্যবাহী ল’ সোসাইটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতেই মূলত তাদের অব্যাহতি দিয়ে নতুন ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্বকে দায়িত্ব দিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

জাতীয় নিউজ

বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার আকমাম ও সম্পাদক ও অ্যাডভোকেট শাবু

আপডেট টাইম : ১২:১৮:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নিউইয়র্ক: অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা ও দক্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনক’-এর শীর্ষ দুই পদের নেতৃত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে। সংগঠনের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ ও সঠিক পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগে সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিনকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

গত ৫ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি সেন্টারে আয়োজিত কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেলেন আকমাম ও আতিকুর
সংগঠনটিকে গতিশীল রাখতে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সিদ্ধান্তে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে।

এতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বর্তমান সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার মো: আকমাম খান।
​ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক-১ অ্যাডভোকেট মো: আতিকুর রহমান শাবু-র ওপর।

সভায় সাবেক নেতাদের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভ্রান্তি ও প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা হয়। জানানো হয় যে, কবর ক্রয় বা আর্থিক হিসাব নিয়ে সোসাইটিতে কোনো বিরোধ নেই। সংগঠনের মুসলিম সদস্যদের জন্য বিগত কমিটিগুলোর উদ্যোগে ৩৫টি কবর কেনা হয়েছিল। যা সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী সামসুদ্দোহা, অ্যাডভোকেট জুনেল আহমদ জনি এবং অ্যাডভোকেট এম. মতিউর রহমানের নামে যৌথভাবে নিবন্ধিত। মুসলিম সদস্যদের জন্য কবর ক্রয়ের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী সদস্যদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে সমপরিমাণ অর্থ সোসাইটির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত (সঞ্চয়) রাখা আছে।

বিগত ২০২৪-২০২৫ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির যাবতীয় হিসাব-নিকাশ সোসাইটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) বৈধভাবে পাস হয়েছিল। তৎকালীন সভাপতি অ্যাডভোকেট এম. মতিউর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া সুলতানা এবং কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মাহবুব আলমের যৌথ স্বাক্ষরিত উক্ত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনটি সাধারণ সদস্যদের উপস্থিতিতেই সর্বসম্মত অনুমোদন পায়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সংগঠনটির সংবিধানের বেশ কিছু ধারা (আর্টিকেল) সংশোধনপূর্বক ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিদায়ী সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সংগঠনটি পরিচালনায় চরম অক্ষমতার পরিচয় দেন। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মতে, এই ঐতিহ্যবাহী ল’ সোসাইটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতেই মূলত তাদের অব্যাহতি দিয়ে নতুন ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্বকে দায়িত্ব দিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।