Dhaka ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ

গোলাপী আক্তার তিশা নামের দেন
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / ২১৪ ০০০ বার

ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় শত শত বাসা-বাড়ি অপরিকল্পিত ভাবে নির্মাণ করায় চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ।

দেখা যায়, সরু রাস্তা, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিকল্পনাহীন ভবন নির্মাণের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ছোট ঘটনাও বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আইটিভির স্টাফ রিপোর্টার ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক (হেলাল শেখ) জানান, বিশেষ করে শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভবনের ঘনবসতি ও সংকীর্ণ রাস্তার কারণে দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। কোনো এলাকায় আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন প্রবেশ করতে না পারায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। এতে জীবনের ঝুঁকিতে থাকছেন হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক ও সাধারণ বাসিন্দা।

এ বিষয়ে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সাভার ও আশুলিয়ায় প্রায় ১ কোটি মানুষের বসবাস, যার অধিকাংশই পোশাক শ্রমিক। তাদের সংগঠনের অধীনে প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক ইউনিয়নে প্রায় ৭০ হাজার সদস্য রয়েছেন। তিনি বলেন, “কোনো বাড়িতে আগুন লাগলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হন শ্রমিকরা। কিছু বাড়িওয়ালার ৭ থেকে ১০টির বেশি বাড়ি রয়েছে, একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা সামলে নিতে পারেন। কিন্তু শ্রমিকদের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন, জমি থাকলেই পরিকল্পনাহীনভাবে ভবন নির্মাণ করা উচিত নয়। মানুষের জীবন রক্ষায় নিরাপদ সড়ক, পর্যাপ্ত খোলা জায়গা থাকাটা জরুরি।

জাতীয় নিউজ

সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ

আপডেট টাইম : ০৪:৪৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় শত শত বাসা-বাড়ি অপরিকল্পিত ভাবে নির্মাণ করায় চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ।

দেখা যায়, সরু রাস্তা, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিকল্পনাহীন ভবন নির্মাণের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ছোট ঘটনাও বড় ধরনের দুর্ঘটনায় রূপ নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আইটিভির স্টাফ রিপোর্টার ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক (হেলাল শেখ) জানান, বিশেষ করে শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভবনের ঘনবসতি ও সংকীর্ণ রাস্তার কারণে দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। কোনো এলাকায় আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন প্রবেশ করতে না পারায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। এতে জীবনের ঝুঁকিতে থাকছেন হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক ও সাধারণ বাসিন্দা।

এ বিষয়ে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সাভার ও আশুলিয়ায় প্রায় ১ কোটি মানুষের বসবাস, যার অধিকাংশই পোশাক শ্রমিক। তাদের সংগঠনের অধীনে প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক ইউনিয়নে প্রায় ৭০ হাজার সদস্য রয়েছেন। তিনি বলেন, “কোনো বাড়িতে আগুন লাগলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হন শ্রমিকরা। কিছু বাড়িওয়ালার ৭ থেকে ১০টির বেশি বাড়ি রয়েছে, একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা সামলে নিতে পারেন। কিন্তু শ্রমিকদের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন, জমি থাকলেই পরিকল্পনাহীনভাবে ভবন নির্মাণ করা উচিত নয়। মানুষের জীবন রক্ষায় নিরাপদ সড়ক, পর্যাপ্ত খোলা জায়গা থাকাটা জরুরি।