Dhaka ১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরগুনা জেলায় কাকচিড়া ইউনিয়নে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ: মৃত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : ০১:২১:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ৮৩ ০০০ বার

বরগুনা জেলা ৬নং কাকচিড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ইস্যু নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা কবির চকিদার স্বাধীনের ওয়ারিশ সনদে শিশুকালে মৃত ২ ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলেছেন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা।

অভিযোগকারীদের দাবি, স্বাধীনের পরিবারে পূর্বে ২ জন ব্যক্তি শিশুকালেই মৃত্যুবরণ করেন। অথচ তাদের একটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেটে ওই মৃত ব্যক্তিদের নাম যুক্ত করে সনদ প্রদান করা হয়েছে। একই ব্যক্তির অন্য একটি সনদে ওই দুই নাম নেই বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়রা ওই বিতর্কিত সনদে উল্লিখিত ‘জলিল’ ও ‘খলিল’ নামের দুই ব্যক্তিকে এলাকায় কেউ চেন না বলে জানান। তারা সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া ও তথ্য যাচাই-বাছাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

*এলাকাবাসীর দাবি:*
“মৃত মানুষ কিভাবে ওয়ারিশ হয়? সনদ ইস্যুর আগে মৃত্যু সনদ যাচাই করা হয়নি কেন? আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই” – বলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন।

*ইউপি চেয়ারম্যান/সচিবের বক্তব্য:*
এ বিষয়ে ৬নং কাকচিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সচিবের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, “অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সনদ ইস্যুর নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়।”

*ইউএনও’র বক্তব্য:*
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে রিপোর্ট দেওয়া হবে। জাল সনদ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কবির চকিদার স্বাধীনের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় নিউজ

বরগুনা জেলায় কাকচিড়া ইউনিয়নে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট জালিয়াতির অভিযোগ: মৃত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি

আপডেট টাইম : ০১:২১:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বরগুনা জেলা ৬নং কাকচিড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ইস্যু নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা কবির চকিদার স্বাধীনের ওয়ারিশ সনদে শিশুকালে মৃত ২ ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলেছেন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা।

অভিযোগকারীদের দাবি, স্বাধীনের পরিবারে পূর্বে ২ জন ব্যক্তি শিশুকালেই মৃত্যুবরণ করেন। অথচ তাদের একটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেটে ওই মৃত ব্যক্তিদের নাম যুক্ত করে সনদ প্রদান করা হয়েছে। একই ব্যক্তির অন্য একটি সনদে ওই দুই নাম নেই বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়রা ওই বিতর্কিত সনদে উল্লিখিত ‘জলিল’ ও ‘খলিল’ নামের দুই ব্যক্তিকে এলাকায় কেউ চেন না বলে জানান। তারা সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া ও তথ্য যাচাই-বাছাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

*এলাকাবাসীর দাবি:*
“মৃত মানুষ কিভাবে ওয়ারিশ হয়? সনদ ইস্যুর আগে মৃত্যু সনদ যাচাই করা হয়নি কেন? আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই” – বলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন।

*ইউপি চেয়ারম্যান/সচিবের বক্তব্য:*
এ বিষয়ে ৬নং কাকচিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সচিবের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, “অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সনদ ইস্যুর নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়।”

*ইউএনও’র বক্তব্য:*
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে রিপোর্ট দেওয়া হবে। জাল সনদ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কবির চকিদার স্বাধীনের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।