Dhaka ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সরকারি কোষাগারে ফেরৎ দিতে হবে”ভূয়া শিক্ষক” হাবিবুর রহমান কে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা, মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,জামালপুর।
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • / ২৩৮ ০০০. ০০ বার

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলাধীন ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান জাল সার্টিফিকেটে চাকরি করে সরকারি বেতন ভাতা উত্তোলন করে খেয়েছেন প্রায় দশ লক্ষ টাকা।উক্ত টাকা(বেতনভাতা) চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ফেরৎতের নির্দেশ দিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।১২তম নিবন্ধন সনদ জাল হওয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ইনডেক্স কর্তন(চাকরি বাতিল) করেছেন এবং এমপিও ভুক্তির তারিখ হতে বেতন ভাতা ফেরৎ এর নির্দেশ দিয়েছেন।ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের)জন্য আবেদন করেছে “দৈনিক বায়েজিদ” ও “দৈনিক সময়ের কণ্ঠ”পত্রিকা’র জেলা সাংবাদিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জামালপুর।
আবেদন করেছেন ২৮-০৯-২৫ তারিখে।
সোমবার(২০ এপ্রিল২৬)অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেট,ইসলামপুর বাজার শাখা,ম্যানেজার খুরশেদুল আলম বলেন,হাবিবুর রহমান ৩ মার্চ ২০২৩ থেকে ২০২৬ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চাকরী বাবদ মোট উত্তোলনকৃত (বেতনভাতা) টাকার পরিমাণ ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার উপরে অর্থাৎ প্রায় ১০লক্ষ টাকা।

সোমবার(১২ জানুয়ারি২৬) মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের)শুনানীতে সকল প্রমাণকসহ উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি দেন।

জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ১০নং গাইবান্ধা ইউপি মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার এনামুলের সহযোগিতায় সহকারী মৌলভী ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ইনডেক্স নং M0038538 তার ১২তম নিবন্ধন সনদ জাল।ভূয়া হাবিবুর ১২তম নিবন্ধন জাল সনদ  দেখিয়ে মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন,২৬-১২-২০১৫ইং তারিখে অথচ ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে ৪ মার্চ ২০১৬ সালে।

মজার বিষয় হচ্ছে বিয়ের আগে বাচ্চা হয়েছে।জানা যায়,দোসর আওয়ামীলীগের উলামালীগের পাওয়ার খাঁটিয়ে এই হাবিবুর রহমান নিবন্ধন সনদসহ একাডেমিক সনদ ও কওমী মাদ্রাসার কাফিয়ানা সনদ জালিয়াতির মূল হোতা হিসাবে বানিজ্য করতেন।সনদ জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা পাড় করছেন বিলাসবহুল জীবন এবং প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন সাংবাদিক নজরুলকে।কিন্তু থামাতে পারিনি এই অকোতভয় নির্ভীক সাহসী কলম সৈনিক সাংবাদিক নজরুলকে।

এ বিষয়ে “দৈনিক বায়েজিদ”ও “দৈনিক সময়ের কণ্ঠ”পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অভিযোগকারী হয়ে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ(এনটিআরসিএ) মহাপরিচালক বরাবর২২-০৪-২৫ ইং তারিখে অভিযোগ দেন সনদটি জাল ও ভূয়া।পরবর্তীতে ১৫-০৯-২৫ ইং তারিখে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে যাচাই বাছাই পূর্বক সহকারী পরিচালক মো:সাইফুল ইসলাম (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন-২) এনটিআরসিএ,ঢাকা, প্রতিবেদন দেন হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদটি জাল ও ভূয়া।সনদটি সঠিক নয়।স্মারক নং-৩৭.০৫.০০০০.০১০. ৯৯. ০০১. ২০. ১০১১

ফলে ২৮-০৯-২৫ ইং তারিখে ভূয়া সনদের বিরুদ্দে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব) বরাবর ইনডেক্স কর্তনের জন্য(চাকরি বাতিলের জন্য)আবেদন করেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক(প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মাহবুবুল হক  আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব দেন সহকারী পরিচালক(সরকারি ও সিনিয়র মাদ্রাসা)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মো:আসাদুজ্জামান সাহেব কে।তাঁর সহযোগিতায় জনাব মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান,সভাপতি/মাদ্রাসা সুপার এনামুল এবং আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে গত ১৯-০১-২৬ ইং তারিখে বেলা ১১:০০ঘটিকায় শুনানীর জন্য উপ-পরিচালক(প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে সকল তথ্য প্রমাণকসহ স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য চিঠি দেন।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নির্দিষ্ট সময়ে উপর্যুক্ত প্রমাণকসহ উপ-পরিচালক(প্রশাসন)এর অফিস কক্ষে উপস্থিত হন এবং ভূয়া শিক্ষকের প্রমাণ দেখান ও পুংখানুপুংখভাবে ব্যাখ্যা করেন।
কিন্তু ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ও দূর্নীতিবাজ সুপার এনামুল ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের )শুনানীতে উপস্থিত হননি এবং কোন প্রমাণ দেখাতে পারেননি।ফলে মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ১৭-০২-২০২৬ ইং তারিখে প্রতিবেদন দেন সনদটি জাল ও ভূয়া।সনদটি সঠিক নয়।স্মারক নং ৫৭. ২৫.০০০০. ০০৮. ০১. ০০১. ২৫. ২১৫।উক্ত NTRCA প্রতিবেদন এবং পরিদর্শকের প্রতিবেদনদ্বয় জাল ও ভূয়া প্রমাণিত হওয়ায় মহাপরিচালক ( মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর )কর্তৃক ১৬-০৩-২০২৬ ইং তারিখে ৫৭.২৫.০০০০.০০২..০৮.০১০.২৬.৬৭ নং স্মারকে  ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের )মিটিংএ ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ইনডেক্স নং M0038583  মার্চ ২০২৬ এমপিও শীট থেকে নাম এবং ইনডেক্স M0038583 কর্তন(চাকরি বাতিল )করেন এবং অত্র মাদ্রাসার সুপার এনামুলকে,নির্দেশ প্রদান করেন যে,জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষকের এমপিও ভুক্তির তারিখ হতে উত্তোলনকৃত বেতন ভাতা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান পূর্বক অত্র অধিদপ্তরে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
এ বিষয়ে(ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ৩ মার্চ ২০২৩ এমপিও ভুক্তির তারিখ হতে ফেব্রুয়ারী ২০২৬) পর্যন্ত বেতনভাতা উত্তোলনকৃত প্রায় ১০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ দেওয়ার বিষয়ে অত্র মাদ্রাসার সুপার এনামুল কে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।

পরবর্তীতে মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার সহকারী পরিচালক(অর্থ) ও সদস্য সচিব এমপিও বাচাই ও অনুমোদন কমিটি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কে ফোন করা হলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের বিরূদ্ধে মামলা দায়ের করে ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান যত টাকা উত্তোলন করেছেন তা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করবেন। আর যদি প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল ভূয়া শিক্ষকের টাকা ফেরৎ না দেয় বা ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের বিরূদ্ধে মামলা দায়ের না করেন তাহলে আমরা  প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তাছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানে আরোও ০৬ জন শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।খুব শীঘ্রই তাদের নাম ও তথ্য প্রকাশ করা হবে।এলাকাবাসীর দাবি দূর্নীতিবাজ সুপার এনামুল ও ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানকে আইনের আওতায় আনতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,শিক্ষা মন্ত্রী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক সকল সনদ জালিয়াতির তথ্য পাওয়া যাবে।

জাতীয় নিউজ

সরকারি কোষাগারে ফেরৎ দিতে হবে”ভূয়া শিক্ষক” হাবিবুর রহমান কে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা, মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

আপডেট টাইম : ০৫:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলাধীন ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান জাল সার্টিফিকেটে চাকরি করে সরকারি বেতন ভাতা উত্তোলন করে খেয়েছেন প্রায় দশ লক্ষ টাকা।উক্ত টাকা(বেতনভাতা) চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ফেরৎতের নির্দেশ দিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।১২তম নিবন্ধন সনদ জাল হওয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ইনডেক্স কর্তন(চাকরি বাতিল) করেছেন এবং এমপিও ভুক্তির তারিখ হতে বেতন ভাতা ফেরৎ এর নির্দেশ দিয়েছেন।ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের)জন্য আবেদন করেছে “দৈনিক বায়েজিদ” ও “দৈনিক সময়ের কণ্ঠ”পত্রিকা’র জেলা সাংবাদিক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জামালপুর।
আবেদন করেছেন ২৮-০৯-২৫ তারিখে।
সোমবার(২০ এপ্রিল২৬)অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেট,ইসলামপুর বাজার শাখা,ম্যানেজার খুরশেদুল আলম বলেন,হাবিবুর রহমান ৩ মার্চ ২০২৩ থেকে ২০২৬ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চাকরী বাবদ মোট উত্তোলনকৃত (বেতনভাতা) টাকার পরিমাণ ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার উপরে অর্থাৎ প্রায় ১০লক্ষ টাকা।

সোমবার(১২ জানুয়ারি২৬) মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের)শুনানীতে সকল প্রমাণকসহ উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি দেন।

জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ১০নং গাইবান্ধা ইউপি মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার এনামুলের সহযোগিতায় সহকারী মৌলভী ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ইনডেক্স নং M0038538 তার ১২তম নিবন্ধন সনদ জাল।ভূয়া হাবিবুর ১২তম নিবন্ধন জাল সনদ  দেখিয়ে মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন,২৬-১২-২০১৫ইং তারিখে অথচ ১২তম নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে ৪ মার্চ ২০১৬ সালে।

মজার বিষয় হচ্ছে বিয়ের আগে বাচ্চা হয়েছে।জানা যায়,দোসর আওয়ামীলীগের উলামালীগের পাওয়ার খাঁটিয়ে এই হাবিবুর রহমান নিবন্ধন সনদসহ একাডেমিক সনদ ও কওমী মাদ্রাসার কাফিয়ানা সনদ জালিয়াতির মূল হোতা হিসাবে বানিজ্য করতেন।সনদ জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা পাড় করছেন বিলাসবহুল জীবন এবং প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন সাংবাদিক নজরুলকে।কিন্তু থামাতে পারিনি এই অকোতভয় নির্ভীক সাহসী কলম সৈনিক সাংবাদিক নজরুলকে।

এ বিষয়ে “দৈনিক বায়েজিদ”ও “দৈনিক সময়ের কণ্ঠ”পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অভিযোগকারী হয়ে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ(এনটিআরসিএ) মহাপরিচালক বরাবর২২-০৪-২৫ ইং তারিখে অভিযোগ দেন সনদটি জাল ও ভূয়া।পরবর্তীতে ১৫-০৯-২৫ ইং তারিখে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে যাচাই বাছাই পূর্বক সহকারী পরিচালক মো:সাইফুল ইসলাম (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন-২) এনটিআরসিএ,ঢাকা, প্রতিবেদন দেন হাবিবুর রহমানের নিবন্ধন সনদটি জাল ও ভূয়া।সনদটি সঠিক নয়।স্মারক নং-৩৭.০৫.০০০০.০১০. ৯৯. ০০১. ২০. ১০১১

ফলে ২৮-০৯-২৫ ইং তারিখে ভূয়া সনদের বিরুদ্দে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব) বরাবর ইনডেক্স কর্তনের জন্য(চাকরি বাতিলের জন্য)আবেদন করেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক(প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মাহবুবুল হক  আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব দেন সহকারী পরিচালক(সরকারি ও সিনিয়র মাদ্রাসা)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মো:আসাদুজ্জামান সাহেব কে।তাঁর সহযোগিতায় জনাব মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর,ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান,সভাপতি/মাদ্রাসা সুপার এনামুল এবং আবেদনকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম কে গত ১৯-০১-২৬ ইং তারিখে বেলা ১১:০০ঘটিকায় শুনানীর জন্য উপ-পরিচালক(প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে সকল তথ্য প্রমাণকসহ স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার জন্য চিঠি দেন।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নির্দিষ্ট সময়ে উপর্যুক্ত প্রমাণকসহ উপ-পরিচালক(প্রশাসন)এর অফিস কক্ষে উপস্থিত হন এবং ভূয়া শিক্ষকের প্রমাণ দেখান ও পুংখানুপুংখভাবে ব্যাখ্যা করেন।
কিন্তু ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ও দূর্নীতিবাজ সুপার এনামুল ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের )শুনানীতে উপস্থিত হননি এবং কোন প্রমাণ দেখাতে পারেননি।ফলে মুর্শিদা করিম,পরিদর্শক(ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ)মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ১৭-০২-২০২৬ ইং তারিখে প্রতিবেদন দেন সনদটি জাল ও ভূয়া।সনদটি সঠিক নয়।স্মারক নং ৫৭. ২৫.০০০০. ০০৮. ০১. ০০১. ২৫. ২১৫।উক্ত NTRCA প্রতিবেদন এবং পরিদর্শকের প্রতিবেদনদ্বয় জাল ও ভূয়া প্রমাণিত হওয়ায় মহাপরিচালক ( মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর )কর্তৃক ১৬-০৩-২০২৬ ইং তারিখে ৫৭.২৫.০০০০.০০২..০৮.০১০.২৬.৬৭ নং স্মারকে  ইনডেক্স কর্তনের(চাকরি বাতিলের )মিটিংএ ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান ইনডেক্স নং M0038583  মার্চ ২০২৬ এমপিও শীট থেকে নাম এবং ইনডেক্স M0038583 কর্তন(চাকরি বাতিল )করেন এবং অত্র মাদ্রাসার সুপার এনামুলকে,নির্দেশ প্রদান করেন যে,জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষকের এমপিও ভুক্তির তারিখ হতে উত্তোলনকৃত বেতন ভাতা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান পূর্বক অত্র অধিদপ্তরে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
এ বিষয়ে(ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ৩ মার্চ ২০২৩ এমপিও ভুক্তির তারিখ হতে ফেব্রুয়ারী ২০২৬) পর্যন্ত বেতনভাতা উত্তোলনকৃত প্রায় ১০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ দেওয়ার বিষয়ে অত্র মাদ্রাসার সুপার এনামুল কে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।

পরবর্তীতে মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার সহকারী পরিচালক(অর্থ) ও সদস্য সচিব এমপিও বাচাই ও অনুমোদন কমিটি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর কে ফোন করা হলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের বিরূদ্ধে মামলা দায়ের করে ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমান যত টাকা উত্তোলন করেছেন তা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করবেন। আর যদি প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুল ভূয়া শিক্ষকের টাকা ফেরৎ না দেয় বা ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের বিরূদ্ধে মামলা দায়ের না করেন তাহলে আমরা  প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার এনামুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তাছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানে আরোও ০৬ জন শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।খুব শীঘ্রই তাদের নাম ও তথ্য প্রকাশ করা হবে।এলাকাবাসীর দাবি দূর্নীতিবাজ সুপার এনামুল ও ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানকে আইনের আওতায় আনতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,শিক্ষা মন্ত্রী ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক সকল সনদ জালিয়াতির তথ্য পাওয়া যাবে।