মসজিদে পাঠদান না দিয়ে মাসের পর মাস,বছরের পর বছর বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন সনদ জালিয়াতির দায়ে চাকরি বাতিল হওয়া ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের স্ত্রী মোছা:রূপালী বেগম,
- আপডেট টাইম : ০২:০১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
- / ৪০২ ০০০.০০.বার দেখেছেন

জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অর্ন্তগত মালমারা মধ্যপাড়া জামে মসজিদে পাঠদান না করিয়ে বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন মোছা:রূপালী বেগম।সোমবার(০৭জুলাই) মালমারা মধ্যপাড়া জামে মসজিদে বর্তমান দায়িত্বরত সেক্রেটারি মো:আবুল কালাম(কালা) ও সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদুল হক (মডু) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এলাকাবাসী, বর্তমান মসজিদের সেক্রেটারি ও সভাপতি বলেন ,আমাদের মালমারা মধ্যপাড়া জামে মসজিদ প্রায় দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত গণশিক্ষা কার্যক্রমের নূরানী শাখার রূপালী নামে কোন শিক্ষিকা আমাদের মসজিদে পড়ালেখা করায় না।
নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের নূরানী শাখা কেন্দ্র কোড ১৩৫১ মালমারা মধ্যপাড়া জামে মসজিদে
রুপালী নামের কোন শিক্ষিকা আমাদের মসজিদে পূর্ব থেকে আজ পর্যন্ত পড়ায় না।আমরা জানতে পারলাম যে,রুপালী নামে একজন শিক্ষিকা আমাদের মধ্যপাড়া জামে মসজিদ কে দেখিয়ে ইসলামি ফাউন্ডেশন থেকে
মাসের পর মাস বছরের পর বছর বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের জোর দাবি, রূপালী বেগম আমাদের মসজিদ দেখিয়ে যত টাকা বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন,তার চাকরি বাতিলসহ সম্পূর্ণ বেতন ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমাদান পূর্বক তাকে আইনের আওতায় এনে তার শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
তাছাড়া মসজিদের নিকটবর্তী ও জমি দাতা :হালে বেগম, ফারুক, মমিন, আবুসামা মোহাম্মদ আলী,মোহাম্মদ আলী ফকির বাড়ি, বাবুল,মুগেলু, মুরেদালী, কাফি, সাদেক মিয়া, সাবেক সভাপতি সাইফুল্লাহ বিন দানেশসহ অন্যান্যরা একই বক্তব্য প্রদান করেন।
এলাকাবাসী আরোও বলেন,গণশিক্ষার উপজেলা
ফিল্ড সুপারফাইজার বা উধ্বর্তন কোন কর্মকর্তা এই কেন্দ্র পরিদর্শন করতে আসেন নাই। এতে বুঝা যায়, রূপালী বেগম উপজেলা ফিল্ড সুপারফাইজার বা উধ্বর্তন কর্মকর্তা কে ম্যানেজ করেই বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা ফিল্ড সুপারফাইজার শহিদুল ইসলাম বলেন,রূপালী বেগম ২০২৬ সালে মধ্যপাড়া জামে মসজিদ থেকে বদলি হয়ে পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে এসেছে।
পরে পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের বর্তমান দায়িত্বরত ঈমাম আব্দুস কুদ্দুস ও মোয়াজ্জেন মো:লস্কর ফকির বলেন,রূপালী নামে কোন শিক্ষিকা আমাদের এই মসজিদে পড়ায় না বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এলাকাবাসী বলেন, রূপালী আমাদের মসজিদে পড়ায় না। জানতে পারলাম, এই রূপালী মধ্যপাড়া জামে মসজিদ দেখিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর বেতনভাতা খেয়েছে। এখন আমাদের পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ দেখিয়ে বেতনভাতা খেয়ে আসতেছে।রূপালী নিজেই আরবি জানে না। সে নূরানী শাখায় ছাত্র-ছাত্রীদের কি পড়াবে? ঈমাম হুজুরের মক্তব্যের ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে অফিসারদের দেয়।আর বলে আমি পড়াইতেছি। অফিসারেরা ছবি দেখে সরেজমিনে তদন্ত করে না। যার ফলে এই দূর্নীতি হয়। এই ভূয়া শিক্ষিকা মসজিদে দাঁড়িয়ে কেমনে মিথ্যা কথা বলে?ভূয়া পাঠদানকারী শিক্ষিকা রূপালী কেমনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ইসলামি ফাউন্ডেশনে চাকরি করে তা এই জাতি জানতে চায়? ভূয়া পাঠদানকারী শিক্ষিকা রূপালী, ভূয়া সনদে চাকরিচ্যূত হওয়া ভূয়া শিক্ষক হাবিবুর রহমানের স্ত্রী।আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।আমাদের জোর দাবি, রূপালী বেগম আমাদের মসজিদ দেখিয়ে যত টাকা বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন,তার চাকরি বাতিলসহ সম্পূর্ণ বেতন ভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমাদান পূর্বক তাকে আইনের আওতায় এনে তার শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
মসজিদের নিকটবর্তী রুস্তম আলী, পোদ্দার, রউফ, মনির,জহুরা বেগম,সমেজা বেগম,হাসেনা বেগম, জহুর আলী,শাহালী,কাদের (পিতা চান মিয়া), কাদের (পিতা ছইমদ্দিন), কুসুম, মতি, রহিজল,আনোয়ারাসহ অন্যান্যরা একই বক্তব্য প্রদান করেন।
ফিল্ড সুপারফাইজার শহিদুল ইসলাম আরোও বলেন,কেন্দ্র পরিদর্শনে বের হলেই,কেন্দ্র শিক্ষক-শিক্ষিকারা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে সকল কেন্দ্র রেডি রাখে,ফলে আমার নজরে আসে নাই।
এ বিষয়ে উপ-পরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামালপুর জেলা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন,আমি নিজেই সরে জমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।











