মূল মামলার নথির একাধিক পৃষ্ঠা হাতে, এজাহার নিয়ে প্রশ্ন—তদন্ত কর্মকর্তার তথ্যও নথিতে
- আপডেট টাইম : ১২:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৬৯ ০০০.০০.বার দেখেছেন

এই ছবিতে কি কি ধর্ষণের নমুনা একবার ধর্ষণ করেছে এবং মাদক সেবন করে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে রক্তাক্ত টিস্যু জব্দ করা হয়েছে তথ্যচিত্র তুলে ধরা হলো ভিডিও ফুটেজও আছে।
রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুরের আলোচিত ঘটনার মূল মামলার নথির আরও একটি অংশ সামনে এসেছে। নতুন পাওয়া নথিতে মামলার তথ্য গ্রহণ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরিচয়, স্বাক্ষর এবং তদন্ত-সংক্রান্ত কর্মকর্তার তথ্য সংযুক্ত রয়েছে।
নথির এই অংশে দেখা যায়, মামলার তথ্য গ্রহণ ও নথিভুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নাম, পরিচয় ও স্বাক্ষর রয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তার নাম ও যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্যও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে পাওয়া মামলার নথিতে ঘটনার সময়, স্থান, অভিযোগকারী/ভুক্তভোগী এবং অভিযুক্তদের বিষয়ে তথ্য ছিল। এখন পাওয়া এই অতিরিক্ত পৃষ্ঠায় মামলাটি নথিভুক্ত ও তদন্তের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের তথ্যও স্পষ্ট হয়েছে।
তবে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, মূল মামলার নথিতে থাকা ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সঙ্গে পরবর্তী এজাহারের কিছু বক্তব্যের অসঙ্গতি রয়েছে। তাদের প্রশ্ন, মূল মামলার নথিতে তথ্য থাকার পরও পরবর্তী নথিতে কেন কিছু বিষয় ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়েছে বা বাদ পড়েছে।
অভিযোগকারী পক্ষ আরও দাবি করেছে, তাদের কাছে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও গুরুত্বপূর্ণ আলামত রয়েছে। এসব আলামত, মূল মামলার নথি এবং পরবর্তী এজাহার পাশাপাশি রেখে তদন্ত করা হলে ঘটনার প্রকৃত ধারাবাহিকতা স্পষ্ট হবে বলে তারা মনে করছে।
এদিকে, এজাহারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়ার পেছনে কোনো প্রভাব বা আর্থিক লেনদেন কাজ করেছে কি না—এমন অভিযোগও উঠেছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
নথিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জায়গা
মূল মামলার নথি, পরবর্তী এজাহার, ভিডিও ফুটেজ, মেডিকেল/ফরেনসিক আলামত এবং সাক্ষীদের বক্তব্য—সবগুলো একই সঙ্গে পর্যালোচনা করলেই অভিযোগের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে। বিশেষ করে কোন তথ্য কখন, কার মাধ্যমে এবং কীভাবে মামলার নথিতে যুক্ত হয়েছে, সেটিও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তদন্তাধীন ঘটনায় কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে নয়, অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট নথি ও আলামত যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।



















