Dhaka ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার ঠাকুরগায়ের কৃতি সন্তান মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়া ‘প্রায় নিশ্চিত হয়েছে ’

সময়ের কন্ঠ সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৪ ০০০ বার

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত বলে জানা গেছে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন ‘চূড়ান্ত’ করেছেন বলে ডেইলি ওয়াদা-কে জানিয়েছেন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত এক সিনিয়র বিএনপি নেতা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সিনিয়র নেতা ও ক্যাবিনেট সদস্য বলেন, ‘দলীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছে।’ দীর্ঘদিনের এই বিএনপি মহাসচিবকেই যে দল রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চায়, তিনি তা নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে ডেইলি ওয়াদা বিএনপির আরো বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলেছে। তাদের প্রায় সবাই জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে এবং এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ট এক নেতা ফখরুল ইসলামের নাম চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে রোববার সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগে দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তারেক রহমানকে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদ সদস্যদের সমর্থনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত, যদি না সংসদীয় সমীকরণে কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসে।

আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

জাতীয় নিউজ

এবার ঠাকুরগায়ের কৃতি সন্তান মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়া ‘প্রায় নিশ্চিত হয়েছে ’

আপডেট টাইম : ০৮:০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত বলে জানা গেছে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন ‘চূড়ান্ত’ করেছেন বলে ডেইলি ওয়াদা-কে জানিয়েছেন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত এক সিনিয়র বিএনপি নেতা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সিনিয়র নেতা ও ক্যাবিনেট সদস্য বলেন, ‘দলীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছে।’ দীর্ঘদিনের এই বিএনপি মহাসচিবকেই যে দল রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চায়, তিনি তা নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে ডেইলি ওয়াদা বিএনপির আরো বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলেছে। তাদের প্রায় সবাই জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে এবং এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ট এক নেতা ফখরুল ইসলামের নাম চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে রোববার সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগে দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তারেক রহমানকে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদ সদস্যদের সমর্থনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত, যদি না সংসদীয় সমীকরণে কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসে।

আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।