গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষার্থীকে পেয়ে পুলিশের লাঠিচার্জ, উঠছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
- আপডেট টাইম : ০৭:০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
- / ৯৫ ০০০.০০.বার দেখেছেন

গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় এক সাধারণ শিক্ষার্থীর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলন চলাকালে ওই শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে পুলিশ সদস্যরা লাঠিচার্জ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ছড়িয়ে পড়া ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনের একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ সময় আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন—এমন এক শিক্ষার্থীর ওপরও পুলিশ সদস্যদের লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—আন্দোলন নিয়ন্ত্রণের নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কতটুকু বলপ্রয়োগ করতে পারে? একজন শ্রমিক ও একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর অবস্থান আলাদা হলেও পরিস্থিতি বিবেচনা না করে কাউকে মারধর করা হলে তা অবশ্যই তদন্তের দাবি রাখে।
জুলাই আন্দোলনে প্রাণহানি ও পুলিশি নির্যাতনের স্মৃতি এখনো মানুষের মনে গভীরভাবে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের আচরণে মানবাধিকার, পেশাদারত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের শনাক্ত করে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাইয়ের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সমালোচকেরা।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠের প্রশ্ন: জননিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশের হাতে যদি একজন নিরস্ত্র শিক্ষার্থীও নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে কীভাবে?
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শনাক্তকরণ এবং পুলিশের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।












