Dhaka ০৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভৈরবে উপজেলা সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরমানের বিরুদ্ধে ঘূষ গ্রহনের অভিযোগ

মো.জামাল উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / ৪২৯ ০০০.০০.বার দেখেছেন

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা পরিষদের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আরমান হোসাইনের বিরুদ্ধে ঘূষ গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আগানগর ও শিমুলকান্দি এ দুটি ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্যসহ ১১ জন ইউপি সদস্য মেম্বার) জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয় ওই প্রশাসনিক কর্মকর্তা মেম্বারদের মাসিক সন্মানী ভাতা থেকে ৫০০ টাকা করে ঘূষ নেন। ঘূষের টাকা না দিলে তাদের মেম্বার পদ থাকবেনা বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে অসৌজ্যমূলক আচরণও করেন তাদের সাথে। এছাড়াও ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত গ্রাম পুলিশের বেতন ভাতা নিতে গেলে, উপর মহলে টাকা দেয়ার কথা বলে তাদের মাসিক বেতন ভাতা থেকে ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা ঘূষ নেন অভিযুক্ত এ কর্মকর্তা। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ইউনিয়নের সেবা গ্রহিতা নারী মেম্বারগন কোনো কাজে তার কাছে গেলে (তার দায়িত্বে পড়েনা) এমন কাজও করে দেয়ার আশ্বাসসে ভুক্তভোগী নারীদের মোবাইল নাম্বার নিয়ে থাকেন। পরবর্তীতে ওই সকল নারীদের সাথে অশালীন কথাবার্তা বলে বিব্রতর করে থাকেন। অনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করতে অনেক নারী মেম্বারকে প্রস্তাব করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়।

গত ৮ জুন ৩ জন নারী মেম্বারসহ ১১ জন মেম্বার জেলা প্রশাসকের নিকট এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে বুধবার (২৪ জুন) অভিযোগের তদন্ত হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসক এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

তদন্ত করতে আসা তদন্ত কমিটির সদস্য সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্র্যাট শেখ সোয়েব এ বিষয়ে জানান, ভৈরব উপজেলার মেম্বারদের লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করেছি। তদন্তের বিষয়টি গোপনীয়, তাই আমি তদন্ত রিপোর্টটি জেলা প্রশাসকের নিকট জমা দিব।

অভিযোগকারী আগানগর ইউনিয়নের মেম্বার জাহাংগীর আলম এব্যাপারে বলেন, ওই কর্মকর্তা আরমানকে আমাদের মাসিক ভাতা থেকে ৫০০ টাকা করে ঘূষ দিতে হয়। এ কারনে আমরা অভিযোগ করেছি। অভিযোগে আরো বলঅ হয় সেবা নিতে আসা নারীদেরও অনৈতকি সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়ে থাকেন অভিযুক্ত আরমান হোসেন।

অভিযুক্ত আরমান হোসাইন এবিষয়ে বলেন, ঘূষের টাকা দাবি ও নারী মেম্বারদের সাথে অনৈতিক সংলাপ বিষয়টির অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক। আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে এম মামুনুর রশীদ এবিষয়ে বলেন, অভিযোগটি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট করেছেন, যার তদন্ত আজ হয়েছে। এখন তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছে। কাজেই এব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবনা।

বিষয়টি জানতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনকে তার মোবাইলে ফোন দেয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জাতীয় নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media