এল.এ শাখায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহির উদ্দিনকে ঘিরে নানা প্রশ্ন—মুঠোফোনে বক্তব্য জানতে চাইলে ফোন কেটে দেওয়ার অভিযোগ
- আপডেট টাইম : ০৭:২২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৬০ ০০০.০০.বার দেখেছেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমি অধিগ্রহণ (এল.এ) শাখাকে ঘিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন এল.এ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহির উদ্দিন। অভিযোগকারীদের দাবি, তার নেতৃত্বে শাখাটির বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণের মতো স্পর্শকাতর কাজে সাধারণ জমির মালিকদের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়। নথিপত্রের অগ্রগতি, ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং দাপ্তরিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রক্রিয়ায় মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালচক্রের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মুঠোফোনে বক্তব্য জানতে চাইলে ফোন কেটে দেন
অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহির উদ্দিনের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। এ সময় তিনি বিস্তারিত কোনো বক্তব্য না দিয়ে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য এখনো প্রতিবেদনে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি বক্তব্য দিতে চাইলে তা যথাযথভাবে পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
তদন্তের দাবি
এল.এ শাখার কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত ফাইল, অভিযোগকারীদের বক্তব্য এবং দাপ্তরিক প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
তবে মোহাম্মদ জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো অভিযোগ হিসেবেই বিবেচ্য। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা সমীচীন নয়।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠের অনুসন্ধান চলমান। এল.এ শাখার নথিপত্র, ভূমি অধিগ্রহণ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য যাচাই করে পরবর্তী পর্বে আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।













