Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টুখেলের রক্ষণাত্মক কৌশলেই ডুবল ইংল্যান্ড

খেলার খাবার
  • আপডেট টাইম : ১২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • / ৭৫ ০০০.০০.বার দেখেছেন

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের পর সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে কোচ টমাস টুখেলের কৌশলগত সিদ্ধান্ত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের হার অনেকটাই ডেকে এনেছেন টুখেল নিজেই।

অ্যান্থনি গর্ডন ৫৫তম মিনিটে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল থ্রি লায়ন্সদের হাতেই। সেই সময় আর্জেন্টিনা চাপে ছিল এবং ইংল্যান্ডের আক্রমণও ছিল ধারালো। কিন্তু দ্বিতীয় গোলের চেষ্টা না করে কিংবা আগের ছন্দ বজায় না রেখে দলকে ধীরে ধীরে রক্ষণাত্মক ফুটবলে নিয়ে যান টুখেল।

৭২তম মিনিটে গোলদাতা গর্ডনকে তুলে সেন্টার-ব্যাক এজরি কনসাকে নামানোর সিদ্ধান্তকে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছে টেলিগ্রাফ। এই পরিবর্তনের ফলে ইংল্যান্ড আক্রমণের গতি ও কাউন্টার অ্যাটাকের প্রধান অস্ত্র হারায়। এরপর একের পর এক রক্ষণাত্মক পরিবর্তন এনে কার্যত পাঁচ, পরে ছয় ডিফেন্ডার নিয়ে খেলতে শুরু করে ইংল্যান্ড।

এতে আর্জেন্টিনা আরও বেশি বলের দখল পায় এবং ইংল্যান্ড নিজেদের অর্ধে গুটিয়ে যেতে বাধ্য হয়। লিওনেল মেসি ক্রমেই বেশি সময় ও জায়গা পেতে থাকেন, যার সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথমে এনজো ফার্নান্দেজ দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান।

সমতাসূচক গোলের পরও দ্রুত কৌশল পরিবর্তন করেননি টুখেল। ম্যাচের গতি পুরোপুরি আর্জেন্টিনার দিকে চলে গেলেও তিনি আক্রমণাত্মক পরিবর্তন আনতে দেরি করেন। শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে মেসির ক্রস থেকে লাউতারো মার্তিনেজ হেডে জয়সূচক গোল করলে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে যায়।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি পুরো ম্যাচজুড়ে নিজের দলের আক্রমণাত্মক মানসিকতা ধরে রেখেছিলেন। অন্যদিকে টুখেল লিড ধরে রাখার চেষ্টায় ইংল্যান্ডের আক্রমণের ধারই ভোঁতা করে ফেলেন। শেষ মুহূর্তে মার্কাস রাশফোর্ড ও আইভান টোনিকে নামালেও তখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছিল ইংল্যান্ড।

দ্য টেলিগ্রাফের মতে, বিশ্বকাপ জেতানোর লক্ষ্যেই টুখেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেমিফাইনালে অতিরিক্ত সতর্ক ও রক্ষণাত্মক কৌশলই শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছে। ফলে ম্যাচ-পরবর্তী সমালোচনার বড় অংশ এখন জার্মান এই কোচের দিকেই।

জাতীয় নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media