কমিটি জালিয়াতি হাড়িয়াবাড়ী আ:সা:দাখিল মাদ্রাসা
- আপডেট টাইম : ০৫:১৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ১০ ০০০ বার

*স্থানীয় কাউকেই না জানিয়ে নিয়োগ কমিটি জালিয়াতি।
*গোপনে দপ্তরী, আয়া ও নৈশ্য প্রহরী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
*কমিটি বাতিলের আবেদন করেছেন জমিদাতা মাইনুল ইসলাম ।
*৬ শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ৭নং পাথশী ইউপি হাড়িয়াবাড়ী আব্দুস সাত্তার দাখিল মাদ্রাসার দূর্নীতি বাজ সুপার মো:আছাদুজ্জামান এর বিরুদ্ধে।
দূর্নীতিবাজ সুপার মো:আছাদুজ্জামান মনগড়াভাবে নিয়োগ বানিজ্যের লোভে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ,
সুধী মহল, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জমিদাতা ও
এলাকাবাসী কাউকে না জানিয়ে অতিগোপনে সভাপতি নিয়োগ দিয়েছেন আরেক দূর্নীতিবাজ সুপার
জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ১০নং গাইবান্ধা ইউপি মরাকান্দি নছিমুন্নেছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার এনামুলকে।সভাপতি এনামুল ও সুপার আছাদুজ্জামান এর যোগসাজেসে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন গোপনে, দপ্তরী, আয়া ও নৈশ্য প্রহরীর।ফলে এলাকায় উত্তেজনা পরিস্থিতি। জমিদাতা মাইনুল ইসলাম উক্ত কমিটি বাতিল ও নিয়োগ বন্ধ চেয়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে আবেদন করেছেন।
যদি এই কমিটি বাতিল ও নিয়োগ বন্ধ না করা হয়, তাহলে খুব শীঘ্রই এলাকার সকল শ্রেণীর মানুষ মানববন্ধন ও আন্দোলনে নামবো। তিনি আরোও বলেন, এনামুল সুপারের প্রতিষ্ঠান থেকে সনদ জালিয়াতির দায়ে সহকারী মৌলভী হাবিবুর রহমান
ইনডেক্স নং M0038583 ১৬ই মার্চ ২০২৬ এমপিও শীট থেকে নাম এবং ইনডেক্স M0038583 কর্তন করে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং বেতনভাতা ফেরৎ এর নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া ও সনদ জালিয়াতির উস্তাদ। তাকে কমিটি থেকে দ্রুত বের করা হোক।নিজের প্রতিষ্ঠানে ফাঁকি দিয়ে অন্যের প্রতিষ্ঠানে সভাপতি নামে দালালি করতে আসে।উক্ত প্রতিষ্ঠানে আরোও ৬ শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। সুপার মো:আছাদুজ্জামান জালিয়াতি করে বিধি বহির্ভূত নিয়োগ দিয়েছেন ৬ শিক্ষক।খুব শীঘ্রই তাদের নাম, ইনডেক্স ও সনদের তথা প্রকাশ করা হবে।



















