ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলীতে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগফলের দোকানকে ঘিরে প্রশ্ন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল
- আপডেট টাইম : ০৩:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
- / ১১০ ০০০.০০.বার দেখেছেন

অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতলী এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে ট্রাফিক পুলিশের পোশাক পরিহিত ব্যক্তিদের একটি অটোরিকশার পাশে এবং আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে দেখা যায়। অন্য একটি দৃশ্যে ফলের দোকানের কাছে কয়েকজনকে অবস্থান করতে দেখা যায়।
অভিযোগ উঠেছে, ট্রাফিক পুলিশের কোনো কোনো সদস্য সরাসরি নিজের হাতে টাকা গ্রহণ না করে আশপাশের দোকানদারের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। তবে ভিডিওর দৃশ্য থেকে অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ভিডিও যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া জরুরি।
ফুটপাতের দোকানকে ঘিরে নানা প্রশ্ন
স্থানীয়ভাবে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। কাউতলী এলাকায় কোনো যানবাহন থামানো বা ছেড়ে দেওয়ার সময় অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো দোকানদার বা পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া অপরাধের অভিযোগকে সত্য বলে প্রচার করা উচিত নয়।
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ
ভিডিওটির মূল ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার স্থান, সময় ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্য ও দোকানদারের বক্তব্য নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠের বক্তব্য: জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। ভিডিওতে দৃশ্যমান ব্যক্তিদের পরিচয়, কথিত অর্থ লেনদেন এবং যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না—এসব বিষয় এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
প্রকাশনা: দৈনিক সময়ের কণ্ঠ
স্লোগান: আমাদের কাগজ মানুষের কথা বলে












