Dhaka ১১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিপিডিসির কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরীকে ঘিরে নানা অভিযোগ, বিল নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : ০৪:০০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৪২ ০০০.০০.বার দেখেছেন

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) মহাব্যবস্থাপক (এইচআর) মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরীকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়ম, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত এখনো প্রয়োজন।

ডিপিডিসির সরকারি ওয়েবসাইটের কর্মকর্তাদের তালিকায় মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরীকে মহাব্যবস্থাপক, অফিস অব জেনারেল ম্যানেজার, এইচআর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কোম্পানি সচিব হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্বে দেখানো হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, অতীতে রাজনৈতিক পরিচয় ও সমর্থনের ভিত্তিতে কিছু কর্মী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। বিশেষ করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত অসহায় বা সাধারণ মানুষকে বেছে বেছে হয়রানি বা চাপের মুখে ফেলার অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য প্রয়োজন।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ বিল নিয়েও গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন গ্রাহকের দাবি, স্বাভাবিক ব্যবহারের তুলনায় কোনো কোনো মাসে অস্বাভাবিকভাবে বেশি বিল এসেছে—কেউ কেউ এটিকে ‘ডাবল বিল’ হিসেবে অভিযোগ করছেন। প্রশ্ন উঠছে, মিটার রিডিং, বিল প্রস্তুত ও সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হচ্ছে কি না।

এ ছাড়া মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে। একটি হাতে লেখা কাগজও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ঘুরছে; তবে ছবির লেখাটি অস্পষ্ট হওয়ায় সেটির বক্তব্যকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগগুলো সত্য হলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার বিষয় নয়; এর সঙ্গে গ্রাহকের অর্থ, প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং ডিপিডিসির সেবার মানের প্রশ্ন জড়িত। তাই অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই এবং প্রয়োজন হলে অডিটের দাবি উঠেছে।

তবে মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিকতা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং অর্থনৈতিক লেনদেনের বিষয়ে ডিপিডিসির অভ্যন্তরীণ অডিট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে।

জাতীয় নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media