Dhaka ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী, আধুনিক প্রযুক্তি—ইসির ঘোষণা মশা মারতে কামান তৈরির মতো প্রস্তুতি, প্রশ্ন উঠছে ভোটারদের আস্থার জায়গায়

সময়ের কন্ঠ রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫২ ০০০.০০.বার দেখেছেন

জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

ইসির এই ঘোষণার পর জনমনে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিঃসন্দেহে বড় প্রস্তুতির বিষয়। কিন্তু সাধারণ ভোটারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—এত আয়োজনের পর ভোটকেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার কতটা নির্বিঘ্ন, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে নিশ্চিত হবে?

অনেকের মন্তব্য, “মশা মারতে কামান তৈরি হচ্ছে মনে হয়!”—অর্থাৎ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ঘিরে বিশাল নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত জনগণের ভোটের মূল্য ও আস্থার জায়গাটি নিশ্চিত করাই আসল পরীক্ষা।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে এবং জাতীয় নির্বাচনের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে।

এদিকে আগামী বছরের ৬ জুনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে কমিশন। তবে ইউপি নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

নির্বাচন কমিশনের জন্য এখন মূল চ্যালেঞ্জ শুধু বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা প্রযুক্তি ব্যবহার নয়; বরং ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি করা, প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ভোটের ফলাফল নিয়ে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা।

কারণ নির্বাচনের শক্তি শুধু সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা প্রযুক্তিতে নয়—নির্বাচনের প্রকৃত শক্তি জনগণের ভোট ও সেই ভোটের প্রতি আস্থায়।

এখন দেখার বিষয়, ইসির ঘোষিত এই বিশাল প্রস্তুতি মাঠপর্যায়ে কতটা কার্যকর হয় এবং সাধারণ ভোটার নির্বাচনের দিন কতটা নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

জাতীয় নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media