নানা অনিয়মে অভিযুক্ত মাকসুদা ইয়াসমিন মেনে নেয় না ২ জেলার শিক্ষার্থী
- আপডেট টাইম : ০৯:২৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ১০৩ ০০০.০০.বার দেখেছেন

শেরপুর নার্সিং কলেজের ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিন। নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মাকসুদা ইয়াসমিন। মেনে নেয় না ২ জেলার শিক্ষার্থী জামালপুর ও শেরপুর।
শেরপুর নার্সিং কলেজের ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।আন্দোলন দীর্ঘ এক মাসের পর অবশেষে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ইয়াসমিন।
পদত্যাগের পর গত ১২ অক্টোবর জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইনচার্জ হিসেবে তাকে বদলি করে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর।
বদলির আদেশ জারির পর থেকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে মাকসুদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে যোগদান করতে ব্যর্থ হন মাকসুদা ইয়াসমিন। শিক্ষার্থীরা ক্লাশ ও পরীক্ষা বর্জন করে টানা ১৪ দিন কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু মাকসুদা ইয়াসমিনের বদলির আদেশ বাতিল না হওয়ায় তিন শিক্ষার্থী ইফাজ মাহি, মোকছেদুল ইসলাম ও ফরহাদ তামিম আন্দোলন বেগবান করতে গতকাল রবিবার(২৫ অক্টোবর) রাত থেকে আমরণ অনশন শুরু করে। আজ সোমবার(২৬ অক্টবর ) সকালে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর রঞ্জনা থিগিদিকে ইনচার্জের দায়িত্ব প্রদানের আদেশ প্রকাশ করে। একইসাথে মাকসুদা ইয়াসমিনকে শেরপুর সদর হাসপাতালে যোগদানের আদেশ দেয়া হয়। আদেশ জারি হওয়ায় দুপুরে কমপ্লিট শাটডাউন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
নতুন দায়িত্ব পাওয়া ইনচার্জ রঞ্জনা থিগিদি বলেন, আমাকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি যতদিন এই কলেজে থাকবো শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করব।

















