১ হাজার ৫৩২ কোটি টাকার বৈদেশিক অর্থের অভিযোগ, স্ত্রী-সন্তান আটকের ঘটনায় আলোচনায় এসপি হারুন অর রশীদ!
- আপডেট টাইম : ০৩:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অক্টোবর ২০১৮
- / ১৭ ০০০.০০.বার দেখেছেন

পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে অর্থ দাবি, ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যবসায়ীদের হয়রানি এবং সম্পদের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। বিশেষ করে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে এক শিল্পপতির স্ত্রী ও সন্তানকে আটকের ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলের ব্যক্তিগত গাড়ি ও চালককে নারায়ণগঞ্জে আটক করা হয়। পরদিন তাঁর স্ত্রী ফারাহ রাসেল ও ছেলে আনাফ আজিজকে গুলশানের বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শওকত আজিজ রাসেল অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর কাছে অর্থ দাবি করা হয়েছিল এবং দাবি পূরণ না করায় তাঁকে হয়রানি করা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ তখন গাড়ি থেকে অস্ত্র, মাদক ও বিদেশি মদ উদ্ধারের দাবি করেছিল। এসব ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর বদলি
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর হারুন অর রশীদকে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ অধিদপ্তরে পুলিশ সুপার (টিআর) পদে বদলি করা হয়।
১ হাজার ৫৩২ কোটি টাকার অভিযোগ
পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের আগস্টে প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে হারুন অর রশীদের স্ত্রীর নামে থাকা ১ হাজার ৫৩২ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ এফবিআইয়ের সুপারিশে আটকে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো সূত্রের বরাতে তথ্য প্রকাশ করে। অর্থের উৎস ও মালিকানা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও আদালতের নথি যাচাই প্রয়োজন।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠের অনুসন্ধানের প্রশ্ন
২০১৯ সালের ঘটনা, ব্যবসায়ী শওকত আজিজ রাসেলের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত বিপুল সম্পদের তথ্য এবং বিদেশে অর্থ আটকে যাওয়ার খবর—সবকিছুই স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। চলবে















