কালিয়াকৈরে ফের ত্রিশ হাজার টাকা বেতনের দাবীতে কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ
- আপডেট টাইম : ১১:৪২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
- / ৫৫ ০০০.০০.বার দেখেছেন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ, চন্দ্রা সফিপুর, মৌচাক এলাকায় নূন্যতম বেতন ত্রিশ হাজার টাকার দাবীতে কারখানার কর্মরত শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ করে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার কয়েকটি কারখানা থেকে শ্রমিকরা বের হয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় আশেপাশের কারখানার শত শত শ্রমিক সড়কে বেড়িয়ে আসে। শ্রমিকরা লাঠি হাতে সড়কে বিক্ষোভ করতে থাকে। তারা ত্রিশ হাজার টাকা বেতনের জন্য স্লোগান দিতে থাকে।
সরোজমিনে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত শ্রমিক রাস্তায় নেমে পরে। রোদ আর গরম উপেক্ষা করে তারা মিছিল নিয়ে মহাসড়কে অবস্থান করে। পল্লীবিদ্যুৎ , হরিণহাটি ও আনসার ভিডিপি একাডেমীর সামনে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করে রাখে। এ সময় রাস্তার দুপাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কে বাস ট্রাকসহ শত শত যানবাহন আটকে যায়। এ সময় যাত্রীবাহী বাসের নারী,শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীদের ও সড়কে চলাচলকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিভিন্ন পর্যায়ে শ্রমিকরা সড়কে বেতন বাড়ানোর দাবিতে নানান স্লোগান দিতে থাকে। শ্রমিকরা অ্যাম্বুলেন্স বাদে অটোরিক্সাসহ সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। তারা দল বেধে মহাসড়কে অবস্থান নেয়। তাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা মহাসড়ক যানচলাচল করতে দিবেনা বলে হুশিয়ারী দেয়। মহাসড়কের গাজীপুর থেকে বোর্ডঘর পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার যানজটে আটকে আছে সব ধরনের যানবাহন। এ দিকে উপজেলার অনেক কারখানায় কাজ বন্ধ করে শ্রমিকরা মহাসড়কে আন্দোলনে নামে। মহাসড়কের মৌচাক, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ,সফিপুর ফ্লাইওভারগুলোতে যানবাহন আটকে আছে।
আন্দোলনরত কারখানার শ্রমিকরা জানায়, সকল জিনিস পত্রের দাম বেড়েছে কিন্ত আমাদের বেতন বাড়েনী। ত্রিশ হাজার টাকা বেতনের দাবী নিয়ে রাস্তায় নেমেছি।
বিকাল সাড়ে চারটার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু হলেও বিভিন্ন অলিগলি থেকে বেরিয়ে এসে আবারও মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে পুলিশ দফায় দফায় টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ফাটিয়ে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সরিয়ে দিয়ে মহাসড়কে প্রায় ৬ ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়।
কালিয়াকৈর থানার (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে কারখানার শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়কে যান চলাচলের জন্য কাজ করছি।















