গায়েবি মসজিদ দেওয়ানগন্জ
- আপডেট টাইম : ১০:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
- / ৭১ ০০০.০০.বার দেখেছেন

জামালপুর জেলাধীন দেওয়ানগন্জ উপজেলার অন্তর্গত দেওয়ানগন্জ পৌরসভা ১নং ওয়ার্ড
চিকাজানি গ্রামে অবস্থিত গায়েবি মসজিদ।মসজিদটিকে ঘিরে নানা রহস্য? কেউ দিতে পারেনি এই রহস্যের ব্যাখ্যা।মসজিদটি গায়েবি না কি কারো হাতে নির্মিত? তা কেউ বলতে পারে না।মসজিদটি কিভাবে নির্মিত হয়েছে? তাও কেউ বলতে পারে না।প্রতি ওয়াক্তা নামাজে প্রায় এক থেকে দেড়শ মুছল্লি নামজ আদায় করে। জুমার দিন প্রায় ছয় থেকে সাত শত মুছল্লি নামাজ আদায় করে। বর্তমান মসজিদটি তিনতালা বিশিষ্ট।
শনিবার (৩১অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গায়েবি মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মো: তারেকুজ্জামান তারেক(৬০) বলেন,আনুমানিক আজ থেকে প্রায় ৮ শত থেকে ১ হাজার বছর পূর্বে মসজিদের জায়গায় চন্দ্রা নদী ছিল। সাথে ঝোপ জঙ্গল ছিল । ঐ সময়ে সুলতানিয়া আমলে এই মসজিদটি জঙ্গলে দেখা যায়।সেই সময় থেকে লোকমুখে প্রচলিত গায়েবি মসজিদ।মসজিদের সাথে ছিল একটি ইন্দ্রা(কূপ) এবং একটা মাজার। কালের বির্বতনে ইন্দ্রা ও মাজার বিলুপ্ত হওয়ার পথে। কিন্তু জাগ্রত আছে এই মসজিদ।জঙ্গলের মধ্য লুকায়িত ছিল বিধায় মসজিদটির নাম রাখা হয় গায়েবি।আর এই গায়েবি মসজিদের উচিলায় উপকৃত হয়েছেন বিভিন্ন ধর্মের মানুষ।স্থানীয় এক হিন্দু পরিবার গায়েবি মসজিদকে স্বপ্নে দেখে ৬ সদস্য সহ পুরো পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন ।তাদের একজন বিপ্লব বর্তমান নাম ইমামুল বলেন, হিন্দু ধর্ম ছেড়ে আমরা খুব শান্তিতে আছি। আমার পায়ের বড় একটা সমস্যা ছিল। ডাক্তার অপারেশন করতে বলেছে। কিন্তু আমি এই গায়েবি মসজিদের সেবা করায় আল্লাহর রহমতে আমার সমস্যা ভালো হয়েছে।তাছাড়াও সারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ এই মসজিদে সাহায্য করে।প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ২-৩ লক্ষ টাকা আসে। উক্ত টাকা দিয়ে মসজিদের বিভিন্ন কার্যক্রম, ঈমাম ও মুয়াজ্জিনদের বেতনভাতা প্রদান করা হয়।তবে মসজিদের ইতিহাস আমাদের কারোও নাই। আমরাও পূর্বপুরুষের কাছে এভাবেই শুনেছি।
স্থানীয় গায়েবি মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মো: তারেকুজ্জামান তারেক(৬০) আরোও বলেন,সিএস আমলে পূর্বপুরুষ জমিদাতা লাখে রাজ রাজখরীয়া গেন্দা মসজিদটির নামে প্রায় ৩৫ বিঘা জমি চিরস্থায়ীয় নিষ্কর করে লিখে দিয়ে যান। কিন্তু মসজিদের চারপাশের লোকজন তা বিভিন্ন ভাবে বেদখল করে আছে।
এ বিষয়ে দেওয়ানগন্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ জহুরুল হোসেন বলেন, মসজিদের জমি বেদখলের বিষয়ে অভিযোগ পেল যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

















