বিমানবন্দরের ভোগান্তির ভিডিও নিয়ে নতুন বিতর্ক সাধারণ যাত্রীর অভিজ্ঞতার ভিডিওকে রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যবহারের অভিযোগ
- আপডেট টাইম : ০৭:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৩১ ০০০.০০.বার দেখেছেন

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি জামায়াতে ইসলামীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন।
এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নামে এবং তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন ভিডিও ও বক্তব্য নতুন করে প্রচার করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—ভিডিওটি আদৌ কোনো রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ কি না, নাকি দেশের বিমানবন্দরে একজন সাধারণ যাত্রীর ভোগান্তির বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরার ভিডিও, সেটি যাচাই না করেই রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে কি না।
সম্প্রতি ডা. ওরাকাতুল জান্নাতের করা একটি লাইভ ভিডিওতেও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ও ভোগান্তির চিত্র উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ভিডিওটিতে বিমানবন্দরের পরিবেশ, যাত্রীসেবা ও একজন সাধারণ যাত্রীর অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলতে দেখা যায়।
ভিডিওটি যদি মূলত বিমানবন্দরের সেবাব্যবস্থা ও যাত্রীদের ভোগান্তি তুলে ধরার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটিকে রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে প্রচার করার আগে ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট দেখা জরুরি। একটি ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশ কেটে বা ভিন্ন ব্যাখ্যায় প্রচার করলে দর্শকের কাছে ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট অস্পষ্ট হয়ে যেতে পারে।
অন্যদিকে, আখতারুজ্জামানকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়টি আলাদা। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।
তাই বিমানবন্দরের কোনো ভিডিওকে তাঁর দলীয় পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করার আগে ভিডিওটির উৎস, পূর্ণ বক্তব্য, ধারণের সময় এবং মূল উদ্দেশ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন উঠছে
সাধারণ মানুষের বিমানবন্দর-ভোগান্তি নিয়ে করা একটি ভিডিও কি রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে? নাকি ভিডিওটির মধ্যে সত্যিই কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য রয়েছে?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তার সঙ্গে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যুক্ত করার আগে পুরো ভিডিও দেখা এবং প্রাথমিক উৎস যাচাই করাই সাংবাদিকতার দায়িত্ব।
দৈনিক সময়ের কণ্ঠের পক্ষ থেকে পাঠকদের প্রতি আহ্বান—ভাইরাল ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও মূল উৎস যাচাই করুন।














