Dhaka ১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিকের নিরাপত্তা মৌলিক অধিকার: খুন-ডাকাতি-চুরি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ চাই`

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : ০১:০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ১৫০ ০০০.০০.বার দেখেছেন

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: portrait;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 40;

সকালের খবরের কাগজ খুললেই চোখে পড়ে – “রাজধানীতে ছিনতাই”,১০”গ্রামে গৃহবধূ খুন ধর্ষণ ১৫”হাইওয়েতে ট্রাক ডাকাতি”। গত চলমান ৩ মাসে/ সারা দেশে খুনের ঘটনা সংখ্যা ৬ ডাকাতি সংখ্যা ১৪ চুরি-ছিনতাই ২০ সংখ্যা পুলিশ হেডকোয়ার্টারের পরিসংখ্যান বলছে, আগের বছরের তুলনায় অপরাধ মোট শতাংশ ৬৫ বেড়েছে।

এটা শুধু সংখ্যা না, এটা মানুষের আতঙ্ক। রাত ১০টার পর রাজপথ ফাঁকা। নারী-শিশু-বৃদ্ধ কেউ নিরাপদ না। ঢাকার অলি-গলি থেকে প্রত্যন্ত ইউনিয়ন – চোর-ডাকাতের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। মানুষ প্রশ্ন করছে: পুলিশ আছে, র‍্যাব আছে, আইন আছে – তাহলে নিরাপত্তা কোথায়?

*অপরাধ বাড়ার কারণ কি?*
বিশেষজ্ঞরা ৩টা কারণ দেখান:
১. *অর্থনৈতিক চাপ*: দ্রব্যমূল্য, বেকারত্ব বাড়লে পেটের দায়ে মানুষ অপরাধের পথে যায়।
২. *বিচারহীনতার সংস্কৃতি*: খুন-ডাকাতি করে ধরা পড়েও ২ দিন পর জামিন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে অপরাধী সাহস পায়।
৩. *পুলিশিং ঘাটতি*: বিট পুলিশিং দুর্বল, গোয়েন্দা নজরদারি কম, থানায় মামলা নিতে গড়িমসি।

*আমাদের ৪ দফা প্রস্তাব সরকারের কাছে:*
১. *দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল*: খুন-ডাকাতির মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
২. *কমিউনিটি পুলিশিং শক্তিশালী*: প্রতিটি ওয়ার্ড-ইউনিয়নে বিট অফিসার, সিসিটিভি, পাড়া মহল্লার যুবকদের নিয়ে নাইট গার্ড।
৩. *অর্থনৈতিক সমাধান*: বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান। চুরি-ছিনতাই রোধের স্থায়ী সমাধান এখানেই।
৪. *মামলা-জিডি সহজীকরণ*: থানায় গেলে “মামলা নেওয়া যাবে না” – এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। অনলাইন জিডির হয়রানি কমাতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, “আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আছে”। সেই কাজের ফল মাঠ পর্যায়ে মানুষ দেখতে চায়। পরিসংখ্যান দিয়ে না, নিরাপদে ঘরে ফেরা দিয়ে।

*শেষ কথা*: রাষ্ট্রের প্রথম কাজ নাগরিকের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া। খুন-ডাকাতি-চুরি যদি বেড়েই চলে, তাহলে উন্নয়নের গল্প মানুষের গলায় আটকে যায়। তাই এখনই কঠোর হতে হবে। অপরাধীকে রাজনৈতিক ছত্রছায়া নয়, হাতকড়া পরাতে হবে।

দেশটা সবার। আতঙ্কে না, শান্তিতে বাঁচতে চাই।

জাতীয় নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media