ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বিভ্রান্তি: সত্যতা যাচাইয়ের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
- আপডেট টাইম : ১১:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
- / ১৪৯ ০০০.০০.বার দেখেছেন

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা যাচ্ছে। ভিডিওর সত্যতা, প্রেক্ষাপট ও এডিটিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তির কারণে যেকোনো ভিডিও-অডিও তৈরি করা সম্ভব। যাচাই-বাছাই ছাড়া ভাইরাল ভিডিও শেয়ার, কমেন্ট বা মন্তব্য করলে তা মানহানি ও সাইবার অপরাধ আইনে মামলার কারণ হতে পারে।
ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা এলাকার একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “ফেসবুকে ভিডিও দেখে আমরা বিভ্রান্ত। আসল ঘটনা কি কেউ জানে না। কিন্তু কমেন্ট বক্সে সবাই বিচারক হয়ে যাচ্ছে।”
এ বিষয়ে আইনজীবীরা জানান, কারো ব্যক্তিগত জীবন, মান-সম্মান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা, বানোয়াট বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৯ ধারায় ৫ বছর পর্যন্ত জেল-জরিমানা হতে পারে।
পুলিশ প্রশাসন বলছে, ভাইরাল যেকোনো কন্টেন্টের বিষয়ে অভিযোগ পেলে তারা সাইবার ইউনিটের মাধ্যমে তদন্ত করে। তবে তদন্ত ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।




















